মানুষের বই পড়ার অভ্যাস সেই আদিকাল থেকেই। এই পাঠাভ্যাসের তথ্য সভ্যতার শুরু থেকে। প্রথম দিকে বই অবশ্য দুর্লভ ছিল। তারপর যখন বই হয়ে উঠল কাগজে ছাপানো বস্তুতে, তখন সেটি সুলভ
প্রতিদিন ভোরে শহরটি সংবাদপত্রের মতো খুলে যায়। ভাঁজ থেকে বেরিয়ে আসে অক্ষর, ছবি, রক্তের গন্ধহীন খবর। এই শহরে দুজন মানুষ ছিল, ওরা শব্দ নিয়ে কাজ করত। একজন দূরের অলিগলি থেকে
বয়স যখন মাত্র চৌদ্দ বছর, গোঁফ গজিয়েছে কি গজায়নি, পিতাকে হারিয়ে শংকরকে তখন জীবিকার তাগিদে পথে নামতে হয়েছে। ছেলে একসময় ব্যারিস্টার হবে– স্বপ্নে দেখা মা তখন একটাই মূলমন্ত্র গেঁথে দিয়েছিলেন
মামুনের কোনো কাজ নেই। সময় কাটে না। কাজে থাকতে সময় কোনদিকে চলে যেত টেরও পেত না। ঘড়ি ধরে চলতে হতো। একটার পর একটা কাজ সময়মতো শেষ করতে হতো। কোনো একটাতে
কেউ নেই আহাদুজ্জামান মোহাম্মদ আলী শুদ্ধ সংগীত শোনার জন্য অপেক্ষা করছি, দূর বন থেকে ভেসে আসে তার ক্ষণিক পূর্বাভাস; অর্থ বোঝার আত্যন্তিক প্রয়াস সফলতার মুখ দেখবে কি কখনো? বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে
‘চুনিয়াও শীনজিক জিক ওয়ালসেংয়ে দংয়ে/নাংনান সিস্তাচিম নামেন। বাংআন খুফেতা/কুফেতজা খাথারাং গিসিকনিংও থমমাহা।’ যার বাংলা অর্থ—‘চুনিয়া শীত কুহেলী একটি রাত কাটিয়ে তোমাকেই ভেবেছি অনেক/বলা না বলা কথার ভিড় জমে ওঠে মনে।’
মহাকবি আলাওল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এক বিশিষ্ট নাম। মধ্যযুগের বাঙালি কবিদের নাম নিলে যার নামটি সর্বাগ্রে আসে তিনিই বাঙালি জাতিসত্ত্বার কবি আলাওল। তাঁর পূর্ণনাম সৈয়দ আলাওল (১৬০৭-১৬৮০)। পদ্মাবতী কাব্যগ্রন্থের জন্য
জয়নুল আবেদিন বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত বাঙালি চিত্রশিল্পী। পূর্ববঙ্গের প্রথম প্রজন্মের শিল্পীদের পুরোধা ব্যক্তিত্ব জয়নুল আবেদিন। জন্মেছিলেন ১৯১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহকুমার কেন্দুয়ায়। বাবা তমিজউদ্দিন আহমদ
চিত্রশিল্পী কামরুল হাসানের প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান। ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে। পিতা মোহাম্মদ হাশিম ছিলেন