চৈত্রের তপ্ত দুপুরে সবাই ব্যস্ত। কেউ গভীর মনোযোগে মাটির সরায় আলপনা আঁকছেন। কারও তুলির ছোঁয়ায় লাল, সাদা, হলুদ আর নীল রং মিশে ফুটে উঠছে বাংলার চিরচেনা দৃশ্য। যেখানে ধানক্ষেত, নদী,
সমকালীন শিল্পচর্চার বহুমাত্রিক ভাষা ও অভিব্যক্তিকে সামনে নিয়ে রাজধানীর উত্তরায় গ্যালারি কায়ায় গতকাল শুক্রবার শুরু হয়েছে ১১ জন শিল্পীর সম্মিলিত চিত্র ও ভাস্কর্য প্রদর্শনী। ‘ক্রসরোড–নট অ্যা প্রজেক্ট’ শীর্ষক এ আয়োজনটি
বর্তমান সাক্ষাৎকারটি ‘কনভারসেশনস উইদ পিকাসো’ বইয়ের একটি অংশ, যেখানে বিখ্যাত শিল্পী পাবলো পিকাসো এবং হাঙ্গেরীয় আলোকচিত্রী ও ভাস্কর মি. ব্রাসাইয়ের কথোপকথন তুলে ধরা হয়েছে। অসামান্য কিছু কথাবার্তা যা পিকাসোর নিজস্ব
আনিফ রুবেদ এক. ‘কার কবর রে এটা, হাঁইটা হাঁইটা যায়? কবর হাঁইটা হাঁইটা যায় ক্যান কইরা?’ বোজা বোজা চোখ থেকে জড়তা দূর করতে করতে লালমোহর আলি বলে ওঠে। যদিও উত্তর
আতাহার খান ঠিক করেছি, লাথি যখন মারবোই তবে চুপ করে আজ কেন থাকবো? জাগরণে আছি জেগে, সরব সময় ছুঁয়ে যাচ্ছে এই আমাকে, পেশীগুলোর কী শাণিত সাজানো রূপ, হার মানার তো
সত্যেন সেন সত্যেন সেন জন্ম ২৮ মার্চ ১৯০৭ বিক্রমপুর (বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলা) টংগিবাড়ী উপজেলা, বাংলাদেশ মৃত্যু ৫ জানুয়ারি ১৯৮১ (বয়স ৭৩) শান্তিনিকেতন পশ্চিমবঙ্গ ভারত জাতীয়তা বাংলাদেশী নাগরিকত্ব বাংলাদেশী পেশা বিপ্লবী, সাহিত্যিক, শ্রমিক সংগঠক পুরস্কার বাংলা একাডেমী পুরস্কার, একুশে পদক
বাংলা সাহিত্যে যারা একাধিক ধারাকে সমান দক্ষতায় সমৃদ্ধ করেছেন, তাঁদের মধ্যে আবদুল মান্নান সৈয়দ নিঃসন্দেহে উজ্জ্বল। কবি, সমালোচক, গবেষক, কথাশিল্পী—প্রতিটি ভূমিকায়ই ছিলেন স্বতন্ত্র, গভীর ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী। তাঁর লেখনী একই
ও রণতরী রেজাউদ্দিন স্টালিন ও রণতরী প্রশান্ত সাগরের স্রোত থেকে উঠছে রক্তের মর্মরধ্বনি তলিয়ে যাচ্ছে তাওরাতের সাবধান সূচক তোমার জ্ঞাতি জাতিসংঘের মোকাবিলার কৌশল ভষ্ম হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে বেথেলহেমে ভিজে লেপ্টে
১৯৩৩ সালের আগস্ট মাসের দুটি খাতায় কারুবাসনা উপন্যাসটি রচনা করেন জীবনানন্দ দাশ [১৮৯৯-১৯৫৪]। রবীন্দ্র-পরবর্তী যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে চিহ্নিত জীবনানন্দের জীবদ্দশায় তাঁর রচিত কোনো উপন্যাসই আলোর মুখ দেখেনি। কারুবাসনাও