ওপরের এই ভাবুকটা তোমাদের অনেক ভালোবাসতেন। তোমাদের জন্য লিখেছেন রাজ্যের ছড়া-কবিতা ও গল্প। নাম তাঁর সুকুমার বড়ুয়া। প্রিয় এই লেখকের জন্ম ১৯৩৮ সালের ৫ জানুয়ারি; চট্টগ্রামের রাউজানে। প্রিয় এই লেখক,
কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে সূর্য ওঠার দৃশ্য, ঘাসের ওপর জমে থাকা শিশিরকণায় সূর্যকিরণের ঝিলিক, শজনের ডালে ঘুঘুর নিঃশব্দ অপেক্ষা–এমন সব মুহূর্ত ক্যামেরার লেন্সে ধরা পড়েছে। বিল থেকে ডাঙায় উঠে আসছে হাঁসের পাল,
শীতকাল কখন আসে? কেউ কেউ পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে বলবেন, এ আবার কেমন প্রশ্ন? বর্ষাকাল ফুরিয়ে শীত আসে। আশ্বিনে গ্রামে কুয়াশা পড়তে শুরু করে। আকাশে সন্ধ্যাবেলা মৃগশিরা নক্ষত্র জেগে থাকে। পায়ের
গাঁয়ের শীত – স্বপন শর্মা শীত এলে সকলে মিলে পিঠা খাওয়ার ধুম, আমরা মাতি চড়ুইভাতি কেড়ে নিয়ে রাতের ঘুম। আমার গাঁয়ে হিমেল বায়ে কষ্ট যেমন হত, শীতকে পেয়ে ছেলে-মেয়ের লাগত খুশি
নতুন বছর নতুন নতুন ভালবাসা। মনের মাঝে স্বপ্ন জাগে জাগে নতুন অাশা। নতুন বইয়ের নতুন মলাট নতুন নতুন ছন্দ, ভাল লাগে, ভালবাসি নতুন বইয়ের গন্ধ। মজার মজার ছড়ায় ভরা নতুন
১৯৯২ সালের ২০ নভেম্বর শুক্রবার দৈনিক যুগান্তরের সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছিল কবিতাটি। আল মাহমুদের লেখা কবিতাটি জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো: খালেদা আল মাহমুদ তোমার মুখের দিকে
আমাদের পল্লিকবি জসীমউদ্দীন (১৯০৩-১৯৭৬) সারাজীবন পল্লির গান তথা লোকসংগীত ও সুর সংগ্রহ করেছেন। আব্বাসউদ্দীন কিংবা আবদুল আলীমকে যে গান শিখিয়েছেন, তা-ও পল্লিসংগীত। নিজে যেটুকু গেয়েছেন আসরে কিংবা বেতারে, তা-ও পল্লিসংগীত
মায়ের কোলে – প্রকৃতি – শিশু পাঠ মায়ের কোলে শিশু পাঠ শিশুর মুখে হাসি দেখলে সবাই হাসি প্রায়, এমন শিশু পৃথিবীতে সব মায়ে জম্মায়। নেই তাদের দুঃখকষ্ট নেই চাওয়া পাওয়া, কয়েক চামুচ