সংগ্রামপুর পাতার ক্যাম্পে অস্ত্রের খোঁজে মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযান। সেখানে কীভাবে যেতে হবে, কার কী করতে হবে, সব কিছুই বুঝিয়ে দেওয়া হলো। সবাই মনোযোগ দিয়ে কথাগুলো শুনল। উদ্দেশ্য একটাই-পাতার ক্যাম্প থেকে বন্দুক
বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র জীবনানন্দ দাশ। তাঁকে বলা হয় “রূপসী বাংলার কবি”, কারণ তাঁর কবিতায় ফুটে উঠেছে বাংলার নিসর্গ, প্রকৃতি ও মানবজীবনের গভীর সুর। আজ আমরা জানব
কবর – জসীম উদ্দীন এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে, তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে। এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ, পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে
‘তুমি যাবে ভাই যাবে মোর সাথে আমাদের ছোটো গাঁয়। গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়…. এই জনপ্রিয় কবিতাটির রচয়িতা কবি জসীম উদ্দীন। তিনি জন্মেছিলেন ১ জানুয়ারি ১৯০৩ সালে। কবির
মুনীর চৌধুরীর ত্রয়ী নাটক কবর-নষ্ট ছেলে-মানুষ মুনীর চৌধুরী লেখকজীবনে প্রবেশ করার নিকট-অতীতে ভারতবর্ষে অনেকগুলো প্রভাববিস্তারী ঘটনা ঘটে গেছে। ফলে তাঁর রচনার মূলানুগ বিশ্লেষণের স্বার্থে সময় বিশ্লেষণ অপরিহার্য। তিনি শুধু
দৈনন্দিন জীবনে ছড়িয়ে থাকা লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যমূলক আচরণ প্রায়ই উপেক্ষায় থেকে যায়। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, এর দীর্ঘস্থায়ী মানসিক প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে এটি নারীর মস্তিষ্কে স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে; হয়ে
রঙের, রেখার, মাটির এবং স্মৃতির নীরব এক স্পন্দন নিয়ে আট নারী শিল্পীর দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ যাত্রা মিলিত হয়ে তৈরি হয়েছে ‘In Quest of Peace’ শীর্ষক শান্তির খোঁজে রংতুলি ও ভাস্কর্যের সম্মিলিত
১৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু করতে হয়। ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যার কথা। আমি তখন নারিন্দায় মনির হোসেন লেনে থাকি। সারাদিন কারফিউ, কারফিউ ভেঙে মিছিল। এর ভেতর সন্ধ্যার দিকে, অন্ধকার হয়ে আসছে যখন
সপ্তম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যবই ‘সপ্তবর্ণায়’ স্থান পেয়েছে বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায়ের ‘আনন্দ’ কবিতাটি। কিন্তু কবিতার লাইনগুলো এলোমেলো। কবিতার প্রথম লাইনের খণ্ডাংশকে পাঠ্যবইয়ে বানানো হয়েছে নবম লাইন। দ্বিতীয় লাইনের শেষ খণ্ডাংশকে