– সৌম্যকান্তি চক্রবর্তী মানুষ সবচেয়ে বুদ্ধিমান আর বিকশিত জীব , যার চিন্তাধারা প্রসারিত, যুগ যুগ ধরে উন্নতি যার পদচুম্বন করেছে , সারা জগতের কথাই ভেবে সেই মানুষ সমস্ত জীবকুলের উন্নতি সাধন
ধানমন্ডির গ্যালারি চিত্রকের দেয়ালে এখন নিভৃতির ফিসফাস। সেখানে রঙেরা কথা বলছে, আলোছায়ায় মগ্ন সুর ভাসছে। শিল্পী আজওয়াদ আহমেদের একক চিত্র প্রদর্শনী ‘নিভৃতির আলোকিত ছায়ায়’ ছবি শুধু দৃশ্য নয়, বরং অনুভবের
আকবর বাদশাহর শত ছেঁড়া জোড়াতালি আলখাল্লা থেকে কখনও বেরিয়ে আসে একটা সবুজরঙা আহত ফড়িং। দুষ্টু বালকের হাতে সুতোয় আটকে থাকে। কখনওবা বের হয়ে আসে একটা লালরঙা আজব সুন্দর মাছ, কখনো
যদিও পৈতৃক বাড়ি বরিশাল, আমার জন্ম ময়মনসিংহে। বাবা তৎকালীন কিশোরগঞ্জ মহকুমার পুলিশ কর্মকর্তা। পড়তাম ময়মনসিংহ শহরের সিটি কলেজিয়েট স্কুলে। পাশেই ছিল মৃত্যুঞ্জয় স্কুল, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন যে স্কুলে পড়েছেন। ভেবে
– মুহম্মদ কবীর সরকার(Mahdi Kaabir) ভাঙ্গ হে তরুন বীর যত আছে বিভীষিকার জিঞ্জীর। চল হে চলরে প্রবীন হয়ে যা তোরাই নবীন । নবীন নামে যত আছে ভীরুক তারা প্রবীন হয়ে ঘরেই
সুর, ধ্বনি ও অজ্ঞতা বিষয়ক ~ মীর হাবীব আল মানজুর এক নিরেট যাপনছায়া অতঃপর এসে যে সুর ছড়িয়ে গেল কর্কশে-ঢিমেতালে পথে পথে দেখা লাস্যের আলস্যে আমি এক সুরের কথা বলে
শরিফ ওসমান হাদি: দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র কবিতা লিখতেন। তার মৃত্যুর পর একটি কবিতা প্রকাশ করা হলো: আমায় ছিঁড়ে খাও হে শকুন হে সীমান্তের শকুন এক্ষুনি ছিঁড়ে খাও
ডানাভাঙা পর্যটক পাখির মতন অসহায় দৃষ্টিতে আমি তাকিয়ে আছি শব্দহীন থেকে শব্দময় আরশিতে চোখ রেখে অবাক হওয়ার পালায় যোগ হয়েছে আরেকমাত্রা- মানুষগুলো এমন কেন? বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত শব্দভাণ্ডারে চিৎকার-চেঁচামেচির পর খুলে গেছে
আমি সত্যংবদা, স্বচ্ছংবদা, প্রিয়ংবদা তো নই; তুমি প্রিয় হলে কখনো সখনো প্রিয়ংবদাও হই! আমার নৃত্যে নতুন ছন্দ, আমার কণ্ঠে ভিন্ন সুর; আমি গানে করি প্রতিবাদ, করি কবিতায় ভাঙচুর! সরস্বতীর ধ্রুবজ্যোতি