জেগে উঠ্ আরেকবার – জাফর পাঠান – দ্রোহের দহন জেগে উঠ্ আরেকবার জাফর পাঠান ওরে ঘুমন্ত মানবের দল জেগে উঠ্ আরেকবার- চেয়ে দেখ্ আজি খুনিদের তান্ডবে চারদিকে শুধু সন্তানহারা মায়ের কান্না,
মাতৃভূমি – নিলয় পারভেজ হৃদয় বাংলা আমার মাতৃভূমি; বাংলা আমার প্রাণ। শক, হুনদল, পাঠান, মোঘল এসেছে এখানে, হয়েছে ম্লান। পাকিস্তানিরাও এসেছে এখানে, করেছে শোষণ বণিকের বেশে। হারিয়ে সম্মান নির্লজ্জের মতো পরাজিত
বিজয়ের মাস ডিসেম্বর, লক্ষ প্রাণে লেখা বিজয়ের সেই সোনালি অক্ষর, দিকে দিকে শুনি জয়ধ্বনি বাংলাদেশের নামে, এই স্বাধীনতা কেনা রক্তের দামে; হৃদয়ে হৃদয়ে বাজে মুক্তির শত গান, ডিসেম্বরে পেয়েছি আমরা
প্রবচন, কবিতা ইত্যাদি প্রবচনের প্রতাপে কাঁদে, কবিতা কাঁদে। তুমি ও তোমার সময়ের জল হয়তো খুঁজে পেয়েছ কবিতার অধিক নাব্য আগুন। আমি শব্দের হরিণ হাতে পাড়া বেড়াতে যাই; দেখতে মানুষ লাগে উদ্বাস্তু আত্মার
শিক্ষাবিদ ও সমাজ সংস্কারক বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন (১৮৮০-১৯৩২) একজন নারী-মুক্তিকামী চিন্তক। তাঁর সাহিত্য প্রয়াসের একটি মৌল প্রতিপাদ্য বিষয়: অবরোধ প্রথার মাধ্যমে প্রচলিত নারী নিপীড়ন সম্পর্কে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের সমব্যথী
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত। তিনি বিশিষ্ট ভারততত্ত্ববিদ ও প্রাচ্যবিদ্যাবিশারদ। অন্যদিকে সংস্কৃতের খ্যাতনামা পণ্ডিত ছিলেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রথিতযশা গবেষক, সাধক ও ইতিহাস রচয়িতা। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন
পড়ছি বৃষ্টির রুপালি বিষণ্নতা, যাতায়াত। মাঝে মাঝে একগুঁয়ে শব্দাবলি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দিচ্ছি নিজস্ব মেঘের মর্মে। অথচ আমিই তো হেলাফেলায় রোদের অঙ্কুরে অনুবাদ করেছিলাম বৃষ্টি ও শার্ল বোদলেয়ার। আমার
– উৎপল সরকার – একা কবিতার শহরে মেঘলা আকাশে আজও একরাশ বিষণ্ণতা আকাশে ছায়ার মতো জমে থাকা ভীষণ অস্থিরতা ৷ ছায়ার অগচরে বসে কি যেন ভাবছি সারারাত, যা আমার নয় তা চাইতে
বর্ষার বিলের জলে ভেসে যায় একা রাজহাঁস দূরের দিগন্তরেখা অব্দি জলে টলোমল মৃদু বাতাসের দোলা, আকাশের নীল ছায়া জলে। দলছুট হাঁস তুমি কোথায় চলেছ একা একা! বিশাল বিলের মধ্যে
হাছন রাজা বাংলার লোকসংগীতজগতের একজন প্রধান দার্শনিক। মানবজীবনকে তিনি গভীরতম উপলব্ধিতে বোঝার চেষ্টা করেছেন। নিজের ভেতরের খবর নিতে গিয়ে পরমজ্ঞানপ্রাপ্তি তাঁর দর্শনের মূল ভিত্তিপ্রবাহ। ১৮৫৪ সালে বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার তেঘরিয়া