“তাসের ঘর” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত, যেখানে জীবনের অনিত্যতা, মানব গর্বের ভঙ্গুরতা ও আত্মজিজ্ঞাসার গভীর দার্শনিক ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে। এই গানে কবি জীবনের অসারতা ও অহংকারের অস্থায়ীত্বকে “তাসের ঘর”
রবীন্দ্রনাথ সংগীত বা রবীন্দ্রসংগীত হল বাংলা সংগীতের এক অনন্য ধারা, যার স্রষ্টা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি বাংলা সাহিত্যে ও সংগীতে একটি বিশাল অবদান, যেখানে কবিতার গভীরতা, সুরের মাধুর্য এবং দর্শনের
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি, কবিগুরু, এক অসাধারণ প্রতিভার নাম, যার সাহিত্যকর্ম, সংগীত, চিত্রকলা এবং দার্শনিক চিন্তা বাংলা তথা বিশ্বসাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। তিনি শুধু একজন কবি নন, একজন মানবতাবাদী, চিন্তাশীল দার্শনিকও
বাংলার মাটিতে জন্ম নেওয়া এক অনন্য মানুষ ছিলেন ড. শমশের আলী (রহ.)। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) ও বেসরকারি সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা
কোরবানির ঈদের আগেই শুরু হয় রান্নাঘরের গোছগাছ। ধুয়েমুছে নেওয়া হয় থালা-বাটি, গ্লাস-কাপ, হাঁড়ি-পাতিল। কেউ কেউ নতুন কিছু কিনতেও বের হন। কারণ অতিথির সংখ্যায় বাসনকোসন কম পড়ে গেলে কিংবা খাবার-পানীয় পরিবেশনের
একটি সমাজ ও রাষ্ট্রের সামনে এগিয়ে যাওয়ার বড় শক্তি হলো তরুণ প্রজন্ম। তরুণ প্রজন্মের জয়গান যুগে যুগে কবি-সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবীরা গেয়েছেন। যেমন, কবি কাজী নজরুল ইসলাম তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেছেন: ‘চল চল
এ যেনো অলৌকিক মৃত্যুপুরী মিয়া ইব্রাহিম স্বপ্নেরা এখন কবরের বাসিন্দা একদিন মনের কোণে স্বপ্ন বুনেছিলো লেখাপড়া শিখে মানবিক মানুষ হবে,আলোর সুবাস ছড়িয়ে দিবে দেশ থেকে বৈদেশে। সেইসব ফুলেল শিশুদের মগজ
আকাশটা পুড়ছে। দারুণ আগুনের ভেতর উড়ছে কাগজের উড়োজাহাজ। ধোঁয়ার তিমির ভেদ করে কোন অজানায় যাবে, নক্ষত্রও হয়তো ঠিকানা জানে না। আকাশের সবগুলো দুর্লঙ্ঘ্য দরজা পার হয়ে আরো দূর অন্ধকারে কোথায়
আমি চারুকলায় ভর্তি হই ১৯৬৫ সালে। ওপরের ক্লাসের কাউকেই চিনি না। কে কোন বিভাগে পড়ে, কোন বর্ষে পড়ে জানি না। সিনিয়রদের দেখি কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।প্রথম বর্ষে আমাদের ক্লাস টিচার
আরাকান রাজসভার বাংলা সাহিত্য আরাকান রাজসভা বাংলা সাহিত্যের এক বিশেষ ঐতিহাসিক পর্ব, যেখানে মোগল শাসনের বাইরের এক রাজ্যে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চা এক অনন্য মাত্রায় বিকশিত হয়েছিল। সপ্তদশ শতাব্দীতে