ওমর খৈয়াম ছিলেন একজন মধ্যযুগীয় পারস্যের প্রখ্যাত কবি, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও দার্শনিক। তাঁর পুরো নাম ছিল গিয়াস উদ্দিন আবু আল ফাতেহ ওমর ইবনে ইব্রাহিম আল-খৈয়াম আল নিশাপুরি। তিনি ১০৪৮ খ্রিস্টাব্দে
বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার কালজয়ী ইসলামি সংগীত রচনার জন্য বাংলা সাহিত্যাকাশে বিশালতর এক ধ্রুবতারা হিসেবে চির অম্লান হয়ে থাকবেন। কাজী নজরুল ইসলাম তার অমর কীর্তিমান ইসলামি সংগীতগুলো
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ জীবনী (Ustad Allauddin Khan Biography in Bengali): ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের একজন কিংবদন্তি সঙ্গীতজ্ঞ ও সঙ্গীতগুরু। তিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মাইহার ঘরানার প্রতিষ্ঠাতা। তার সঙ্গীত
একটানা কর্মময় দিনগুলোর মাঝে একটু প্রকৃতির ছোঁয়ায় হারিয়ে যেতে কে না চায়! প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটাতেও নিজ উপজেলার বাইরে একত্রিত হওয়ার ইচ্ছা থেকে দীর্ঘদিনের অপেক্ষা শেষে কচুয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন
আগুনের পরশমণি বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ-এর একটি বাংলাদেশী স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস। এটি ১৯৮৬ সালে অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে ঔপন্যাসিক নিজেই এই উপন্যাস অবলম্বনে একই শিরোনামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। গল্প সংক্ষেপ ১৯৭১
শান্তিনিকেতন হলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার বোলপুর শহরের একটি পাড়া। পাড়াটি মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং তার পুত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে আরো বিকশিত করেছিলেন। এখানে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং সেখানে তার অবস্থানের ফলে শান্তিনিকেতন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহরে পরিণত
শাহ জাহান (জন্ম ৫ জানুয়ারী, ১৫৯২, লাহোর [বর্তমানে পাকিস্তানে] – মৃত্যু ২২ জানুয়ারী, ১৬৬৬, আগ্রা [বর্তমানে ভারতে]) ছিলেন ভারতের মুঘল সম্রাট ( ১৬২৮-৫৮) যিনিতাজমহল তিনি ছিলেন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর এবং রাজপুত রাজকন্যা মনমতীর তৃতীয় পুত্র । ১৬১২ সালে তিনি জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নূর জাহানের ভাগ্নী
তালহার জীবনে কোনো কিছু হঠাৎ আসে না। তার জীবন ছিল ঢেউহীন পুকুরের মতোÑএকঘেয়ে, নিশ্চুপ। সে ছিল চুপচাপ, বইপ্রেমিক, আকাশ দেখতে ভালোবাসত, কিন্তু বন্ধুদের আড্ডা, খেলা কিংবা প্রাণবন্ত জীবনের সঙ্গে তার
সবুজে মোড়া সোনার দেশ, বাংলা মায়ের ভালোবেস। পাখির কলরব গায় গান, মাটির গন্ধে মেলে প্রাণ। পদ্মা-মেঘনা যমুনা বয়, স্মৃতির পাতায় রক্তের ক্ষয়। একুশে ফেব্রু, মুক্তির রণ, বীরের রক্তে লেখা পণ।
আলোর ঝরায় ভেসে আসে, নব বর্ষের পা, ধূপে গন্ধে হৃদয় ভরে জাগে নতুন চাওয়া। পান্তা-ইলিশ, আনন্দ শোভা, আনন্দে মুখর ঢাক, শাড়ি-পাঞ্জাবি রঙিন সাজে বাংলার প্রাণের রাখ। সূর্য উঠে নতুন আশায়,