অধ্যায় ১: ধুলিপুর-সোনালি সাঁঝের গ্রাম ধুলিপুর ছিল এক নিঃশব্দ কল্পনার গ্রামÑনদীর কিনারে দাঁড়িয়ে থাকা বাঁশঝাড়, ধানের খেতে বাতাসের হেলানো ঢেউ, আর ভোরবেলা কাক-ডাকা মধুর নীরবতা। এ গ্রামের মানুষ জানতো কীভাবে
ধর্ম-জাতি, ভাষা ভিন্ন, তবু আমরা একে অন্যের আপন। হৃদয়ে বাজে একতাই গান, ভুলে যাই বিভেদের বয়ান। হাতে হাত রেখে চলি, ভালোবাসার সুরে জাগে ঢ়ুলি। কেউ হিন্দু, কেউ বা মুসলমান, কিন্তু
মেঘলা আকাশ, গুমোট হাওয়া, হঠাৎ ঝমঝম বৃষ্টি এসে যাওয়া। টিনের চালে নুপুর বাজে, ধরা পড়ে সুরের মাঝে। পাতার কোলে জলধারা, ছোট্ট পাখির জলস্নান কারা? কাদার পথেও ছন্দ জাগে, পদচিহ্নে বৃষ্টির
বৃষ্টি পড়ছে ঝিরঝিরে, গা জুড়ানো নয়Ñবরং হাড় কাঁপানো ঠান্ডা নিয়ে। শহরের এক কোনায় ফুটপাথ ঘেঁষে গুটিসুটি মেরে বসে আছে ছয়-সাত বছরের এক ছেলে। নাম তার রাফি। একটা পুরোনো পলিথিন তার
রিমঝিম বৃষ্টি পড়ছে শহরের ব্যস্ত রাস্তায়। জানালার কাচে জলের দাগ গলে গলে নিচে নামে, ঠিক যেন কারও ফেলে রাখা চিঠির অক্ষরের মতো। তৃষা বসে আছে জানালার পাশে, এক কাপ ধোঁয়া
এই সাহিত্য পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান শুধু একটি সাংস্কৃতিক আয়োজনই নয়, এটি আমাদের সামাজিক দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে একটি শুভ উদ্যোগ। দেখতে দেখতে ১৩ বছর পূর্ণ করল ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কারের এই