নারী ফুটবলে সাফল্য বাংলাদেশের সবচেয়ে উজ্জ্বল ইতিবাচক বিজ্ঞাপন। আর এই বিষয়টি ক্রীড়াপিপাসু সমাজে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। নারীরা দেশের ফুটবলে শুধু একটির পর একটি নতুন অধ্যায় রচনা করে চলেছেন
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের ৪ মানসম্মত শিক্ষায় সকলের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং জীবনব্যাপী শিক্ষা লাভের সুযোগ সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সকল ছেলে ও মেয়ে
নকল ও ভেজাল ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার দেশে জনস্বাস্থ্যের জন্য এক মারাত্মক হুমকিতে পরিণত হয়েছে। বাজারে বিভিন্ন নামে ও মোড়কে নিম্নমানের, মেয়াদোত্তীর্ণ বা কার্যকারিতা হারানো ওষুধ বিক্রি হওয়ায় রোগীরা সঠিক চিকিৎসা
অবশেষে পরিকল্পিত প্রচারণার কুয়াশা ভেদ করে ছবিগুলো আলোর মুখ দেখছে। গাজার ক্ষুধার্ত শিশুদের হাড্ডিসার পাঁজরের অসহ্য তীক্ষতা দ্য ডেইলি এক্সপ্রেস থেকে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস পর্যন্ত প্রথম পাতায় স্থান পেয়েছে। সাহায্য
নারী ফুটবলের সাফল্য এখন দেশের ক্রীড়ামোদী সমাজে বিশেষ আলোচনার বিষয়। এটি নারী ফুটবলার, তাদের সংশ্লিষ্ট মহল, বিশেষ করে ‘নারী ফুটবল উইং’ এবং বাফুফের বিশাল অর্জন। নারী ফুটবল এরই মধ্যে দেশের ফুটবল ইতিহাসে
চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি পালিত হলো। ঠিক এক বছর আগে এই দিনটিতে জাতির ওপর গভীরভাবে গেড়ে বসা স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়েছে এই অভ্যুত্থান হাজার হাজার মানুষের রক্তের বিনিময়ে। অনন্য ও ঐতিহাসিক
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঐতিহাসিক ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেছেন। একই প্রেক্ষাপটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জাতির
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুধু নয়, সাধারণ মানুষের আড্ডায়-আলোচনায়ও মুখ্য বিষয় এখন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন। পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশনের টক শো, গোলটেবিল, সভা-সেমিনার—সর্বত্রই নির্বাচনের নানা দিক আলোচিত হচ্ছে। নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়েও কথা
জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করে। দীর্ঘ ১৬ বছর জাতির ঘাড়ে অন্যায়ভাবে চেপে বসা স্বৈরাচারী শাসকচক্র দেশকে ধ্বংসের মধ্যে নিমজ্জিত করে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জুলুম নির্যাতন অত্যাচারের
বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবেই নদীমাতৃক দেশ। মানুষের নিরাপদ আমিষ ও পুষ্টি সরবরাহ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে মৎস্য খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপ ও