সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

জাতীয় নির্বাচন উজ্জল দৃষ্টান্ত চাই

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুধু নয়, সাধারণ মানুষের আড্ডায়-আলোচনায়ও মুখ্য বিষয় এখন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন। পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশনের টক শো, গোলটেবিল, সভা-সেমিনার—সর্বত্রই নির্বাচনের নানা দিক আলোচিত হচ্ছে। নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়েও কথা হচ্ছে। বিশেষ করে এই আলোচনা গতি পায় গত ১৩ জুন লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠকের পর। সেই বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টার বরাতে বলা হয়েছিল, ‘সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে ২০২৬ সালের রমজান শুরু হওয়ার আগের সপ্তাহেও নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে।’ পবিত্র রমজান শুরু হতে পারে ফেব্রুয়ারির ১৮ তারিখে। সেই হিসাবে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন হবে এটাই মানুষের বদ্ধমূল ধারণা হয়ে গেছে। রাজনৈতিক দল এবং সম্ভাব্য প্রার্থীরাও নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। অবশ্য নির্বাচন নিয়ে কিছু অস্পষ্টতাও যে ছিল না, তা নয়। অভিযোগ উঠছে, কোনো কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠী সংস্কার ও বিচারকে অজুহাত করে নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র করছে। তারা বলছে, এসব দাবি পূরণ ছাড়া নির্বাচন নয়। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশের এই পরিস্থিতিতে কিসের নির্বাচন? কী নির্বাচন হবে? সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অবশ্যই আগে পরিবেশ তৈরি করতে হবে। অন্যদিকে কোনো কোনো দল জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন দাবি করছে। সরকারের কোনো কোনো উপদেষ্টা বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বক্তব্যও সন্দেহের কারণ হচ্ছে। এসব কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে জনমনে এক ধরনের সংশয় তৈরি হয়। অনেক রাজনীতিবিদও এ বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। সমপ্রতি তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো একটি অংশের সহায়তায় দেশে কেউ উদ্দেশ্যমূলক পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে কি না সেই প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে প্রতিশ্রুত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে কেউ সময়ক্ষেপণ করতে চাইছে কি না সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহবান জানান তিনি। নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করে এনেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করে আসার পর গত ৮ জুলাই সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘নির্বাচনের জন্য ফুলগিয়ারে প্রস্তুতি চলছে।’ এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আগামী ১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। তাঁর প্রদত্ত সময় অনুযায়ীও ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন।গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রত্যাশা ছিল মানুষের ভোটাধিকার বা গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা। সেই প্রত্যাশা পূরণের পথেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমরা চাই, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চা ও নির্বাচনের ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকুক।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com