কুৎসা রটানো এমন ভয়াবহ অপরাধ, যা চুরি-ডাকাতি, সুদ-ঘুষ, জিনা-ব্যবিচার এমনকি মৃত মানুষের পচা গোশত খাওয়ার চেয়েও ভয়াবহ ও নিকৃষ্ট। অথচ মানুষ এ সম্পর্কে পরিপূর্ণ গাফেল। চায়ের আড্ডা থেকে আল্লাহর ঘর
বরকতের মালিক একমাত্র আল্লাহ তা’আলা। তিনি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি, গোষ্ঠী, বিশেষ কোন স্থান, কাল, পাত্র কাউকে বরকত দিতে পারে না। এ ধরণের চিন্তা-চেতনা বা বিশ্বাস পোষণ করা শিরকের অন্তর্ভুক্ত।
ইসলাম মানবতা ও শান্তির ধর্ম। সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ইসলামের ভূমিকা অপরিসীম। ইসলাম শান্তি, নিরাপত্তা ও সহানুভূতির ধর্ম। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি
শিশুকাব্য শিশুমনে আনন্দ দানের পাশাপাশি তাদের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশের এক বিশাল দিগন্ত। এটি শিশুর রুচিবোধকে জাগ্রত করে। সৌন্দর্য অনুধাবনের চোখ খুলে দেয়। শিশুরা কাব্যিক ছন্দ, কল্পনার বিস্তার ও সৌন্দর্যবোধের
১৯ হিজরিতে দ্বিতীয় খলিফা উমর (রা.) রোমানদের বিরুদ্ধে একটি বাহিনী পাঠান। ওই বাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে হুজাফা (রা.)। রোমান সৈন্যদের হাতে তিনি বন্দি হন। পরে তাঁকে রোমান সম্রাট
ড. সিরাজুল হক ছিলেন একজন খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, ইসলামী চিন্তাবিদ, গবেষক ও জ্ঞানতাপস। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অতি অল্পসংখ্যক কালজয়ী শিক্ষাবিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। সারা জীবন জ্ঞানচর্চা ও সাধনায় নিজেকে আত্মনিবেদিত করেছেন।
কিছু কাজ আছে, যা কল্যাণের উৎস আবার কিছু কাজ আছে, যা অকল্যাণের উৎস—এমন কিছু বিষয় এসেছে একটি হাদিসে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন : ‘তিনটি জিনিস মানুষের কল্যাণ
হিজরি সপ্তম ও অষ্টম শতাব্দীর এক অনন্য মনীষী, কালজয়ী প্রতিভা আল্লামা শামসুদ্দিন মুহাম্মাদ বিন আহমদ আজ-জাহাবি (রহ.)। জ্ঞানের ভুবনে তাঁর পদচারণা ছিল বিস্তৃত ও গৌরবময়। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন ইতিহাসবিদ,
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রেমময় পরশ মানবতার জন্য এক অনন্য আলো। তাঁর জীবন ছিল দয়া, ভালোবাসা, ক্ষমাশীলতা ও সত্যের মহিমান্বিত উদাহরণ। তিনি যেমন দরিদ্র, এতিম ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন,
দৈনন্দিন জীবনে মানুষ অনেক কথাই বলে। তবে অনেকে কথাবার্তায় সতর্ক নয়, বরং তারা এমন সব কথা বলে ফেলে, যা বলা অনুচিত। মহানবী (সা.) শব্দ-বাক্য প্রয়োগে অত্যন্ত সতর্ক ছিলেন। নিম্নে নবীজি