ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতি (রহ.) বলেন, হাদিস বর্ণনাকারীদের জীবনী বিশ্লেষণে মুহাদ্দিসরা চার ব্যক্তির ওপর নির্ভর করেন : ১. কামালুদ্দিন মিজজি (রহ.), ২. শামসুদ্দিন জাহাবি (রহ.), ৩. জাইনুদ্দিন ইরাকি (রহ.), ৪. ইবনে হাজার আল-আসকালানি (রহ.)। (সিয়ারু আলামিন নুবালা : ১/১৮)
আল্লামা শামসুদ্দিন সাখাবি (রহ.) বলেন, রাবিদের যাচাই-বাছাইয়ে তিনি ছিলেন এক অতুলনীয় পর্যবেক্ষক। (তারিখুল ইসলাম : ১/১৫)
ইমাম জাহাবি (রহ.) শুধু একজন গবেষকই ছিলেন না; বরং ছিলেন চিন্তক ও প্রাজ্ঞ লেখক। তাঁর রচনাগুলো ইসলামী জ্ঞানের ভাণ্ডারে এক অমূল্য সম্পদ। তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বই হলো—সিয়ারু আলামিন নুবালা, তাবাকাতুল হুফফাজ, মিজানুল ইতিদাল, আল-মুগনি ফিজ-জুআফা, তারিখুল ইসলাম, তারিখুল কাবির ইত্যাদি। (শাজারাতুজ-জাহাব : ৮/২৬৭)
ইমাম জাহাবি (রহ.)-এর সংকলিত ‘আল-মুজাম’ গ্রন্থ থেকে জানা যায়, তাঁর শিক্ষকদের সংখ্যা ছিল প্রায় এক হাজার ৩০০। যাঁদের বেশির ভাগ ছিলেন যুগশ্রেষ্ঠ আলেম। (তারিখুল ইসলাম : ১/১০)
ইমাজ জাহাবি (রহ.) জ্ঞানের সেবায় জীবন অতিবাহিত করেন। তাঁর ছাত্রদের ভেতর আল্লামা তাজউদ্দিন সুবকি ও হাফেজ ইবনে কাছির (রহ.) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
(তারিখুল ইসলাম : ১/১৬)
এই মহান আলেম ৭৪৮ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।
(তাবাকাতুশ শাফিয়িয়্যাতিল কুবরা : ১/৬৩)