কোরআন নবী করিম (সা.)-এর উত্তম আদর্শকে আমাদের জন্য অনুপম শিক্ষা হিসেবে সমুজ্জ্বলভাবে তুলে ধরেছে। তিনি ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী, স্বভাবে ছিলেন সবচেয়ে কোমল, আল্লাহর কাছে ছিলেন সবচেয়ে সম্মানিত এবং ইবাদতে
উপনিবেশবাদ, আধিপত্যবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের সংঘাতমূলক অধ্যায়গুলো নিঃসন্দেহে এক অভূতপূর্ব বিরাট সংকট ও সংকটকালকে নির্দেশ করে। যেখানে শক্তিশালী রাষ্ট্র ও গোষ্ঠীগুলো নিজেদের ক্ষমতা, সম্পদ ও সাংস্কৃতিক প্রভাব বিস্তারের নামে অন্য জাতি
মহানবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.) আল্লাহর চির-শাশ্বত বাণী কুরআন মজিদ নিয়ে আবির্ভূত হন আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে। তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন আরবের সর্বস্তরের সত্যাশ্রয়ী মানুষ; নারী-পুরুষ,
ইসলাম আত্মপ্রকাশের প্রথম দিন থেকেই অর্থনীতির মূলনীতি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করেছে, যা নবী (সা.)-এর জীবনদর্শন ও সুন্নাহতে প্রতিফলিত হয়েছে। নবীযুগের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা শুধু তাত্ত্বিক নয়, বাস্তব জীবনের সঙ্গে আল্লাহ প্রদত্ত নির্দেশনার
মহানবী (সা.) শ্রমিকের মর্যাদা ভালোভাবে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। তার কারণ—তিনি নিজেও জীবনে শ্রমের কাজ করেছেন। শৈশবে মহানবী (সা.) পশুচারণ ও পালন করেছেন। তিনি ছিলেন মেষের রাখাল। আর এই পেশা সব
মহানবী (সা.) যে স্থানে শুয়ে আছেন সেটি মূলত উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা (রা.)-এর হজরা বা কক্ষ। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অন্তিম শয্যা কোথায় হবে তা নিয়ে সাহাবিদের ভেতর মতভিন্নতা ছিল। কিন্তু আবু
কোরআন আল্লাহর কালাম, যা বিশ্ব মানবতার মুক্তির দিশা হিসেবে নাজিল হয়েছে। মুমিনের পুরো জীবন কোরআনময়। তাই প্রতিদিন সালাতে ও সালাতের বাইরে কোরআন পাঠ করতে হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা আল্লাহর কিতাব
হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) নামে একজন সাহাবি ছিলেন। তিনি ছিলেন মদিনা মনোয়ারার একটি মসজিদের ইমাম। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁকে ইয়েমেনের কাজি হিসেবে নিয়োগ করেন। মুআজ (রা.) যেদিন কর্মস্থলে রওনা দেন,
নবীর জীবনীকে আরবিতে ‘সিরাত’ বলা হয়। ‘সিরাত’ শব্দের অর্থ হলো জীবনপথ বা চলার ধারা। ইসলামী পরিভাষায় সিরাতুন্নবী বলতে বোঝায় নবী (সা.)-এর পূর্ণাঙ্গ জীবনচরিত। যেখানে তাঁর জন্ম থেকে ইন্তেকাল পর্যন্ত প্রতিটি
মহানবী (সা.) পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন আল্লাহর দ্বিন কায়েমের মাধ্যমে নতুন জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য। একটি উম্মাহ বা জাতির রূপকার হিসেবে মুহাম্মদ (সা.)-এর অন্যতম প্রধান কাজ ছিল এমন একদল সহচর ও অনুসারী