শিক্ষককে বলা হয় জাতির নির্মাতা। তবে শিক্ষক থেকে সঠিকভাবে জ্ঞান অর্জনের জন্য ছাত্রের পক্ষ থেকে বিনয়, ভদ্রতা ও শ্রদ্ধা এবং শিক্ষকের পক্ষ থেকে হিতাকাঙ্ক্ষা, স্নেহ ও দিকনির্দেশনা অপরিহার্য। ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক
ইসলামের ইতিহাসে ‘সোনালি যুগ’ বলতে মূলত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকালের পর চার খলিফার শাসনকালকে (খুলাফায়ে রাশেদা) বোঝানো হয়। প্রায় ৩০ বছরব্যাপী এই সময়কালকে ইসলামের স্বর্ণযুগ বলা হয়। কারণ এই সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় ন্যায়,
মানুষের স্বাভাবিক প্রবণতা হচ্ছে গরিব-মিসকিন ও অর্থবিত্তহীনকে অবজ্ঞার চোখে দেখা। সমাজের চোখে গরিব মানুষ মর্যাদাহীন। সবার কাছে তারা মূল্যহীন। মানুষের ভালোবাসা থেকে এরা নিদারুণভাবে বঞ্চিত। অথচ বিশ্বমানবতার নবী মুহাম্মদ (সা.)
জায়নামাজ’ একটি ফারসি শব্দ, যার আরবি হলো মুসল্লা। নামাজের সময় মেঝেতে বিছানো বিশেষ গালিচাকে আমাদের এই অঞ্চলে জায়নামাজ বা মুসল্লা বলা হয়। যদিও নামাজ পড়ার জন্য জায়নামাজ বিছানো শর্ত নয়, তবু
ইসলামী রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শুধু সামাজিক বা প্রশাসনিক কোনো কাঠামো নয়, এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই পবিত্র কোরআনে রাজনীতি, শাসনব্যবস্থা, ন্যায়বিচার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, নাগরিক অধিকার এবং অপরাধবিষয়ক
রবিউল আউয়াল মাস। প্রত্যেক মুমিনের জন্য এটি আনন্দ ও ভালোবাসার মাস। কারণ এ মাসেই অন্ধকারাচ্ছন্ন গোটা পৃথিবী আলোকিত করে পৃথিবীতে আসেন বিশ্বনবী প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সা.)। তাঁর আগমনের আগে গোটা
শায়খ আবদুর রহীম ছিলেন লেখক, গবেষক, শিক্ষক ও সংস্কারক। তিনি ১৯০৪ সালের ১ মে ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্গত জঙ্গিপুর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম মুহাম্মাদ ইয়াকুব মোল্লা। শায়খ আবদুর
ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায়, মানবসমাজে যখন নৈতিকতা ও আদর্শ বিলুপ্তির পথে, তখন মহান আল্লাহ মানবজাতির হেদায়েতের জন্য নবী ও রাসুল পাঠিয়েছেন। এই ধারাবাহিকতার সর্বশেষ নবী ও রাসুল হিসেবে মুহাম্মদ
যুগের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম। নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসের মূল্যের লাগাম প্রতিনিয়ত মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে; কিন্তু কমছে শুধু মানুষের মূল্য। পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে
তাসাউফ বা আত্মশুদ্ধির মর্ম না বোঝায় মানুষ শুধু তাসাউফের সুফল থেকে বঞ্চিতই হচ্ছে না, বরং আধ্যাত্মিকতা এক শান-শওকতের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ তাসাউফ বা আধ্যাত্মিকতা বলতে বোঝে কোনো পীরের হাতে