আমড়া ভিটামিন, খনিজ ও ফাইবার সমৃদ্ধ আমড়া কাঁচা, আচার বানিয়ে বা ডালের সঙ্গে রেঁধে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা যায়। স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ ও শরীরের সার্বিক সুস্থতায় এই মৌসুমি ফলের জুড়ি নেই।
প্রতিদিন রান্না করতেই হয়। ফল বা সবজি কাটার সময় প্রতিবারই কিছু না কিছু অবশিষ্ট রয়ে যায়। এর কিছু যেমন একেবারেই ফেলনা, তেমনি আবার কিছু পুনরায় ব্যবহার করা যায়। ফেলে না
ওজন এবং ডায়েট একই মুদ্রার দুটি পিঠ। নিজেকে ফিট রাখতে ও বাহ্যিক সৌন্দর্য বজায় রাখতে উচ্চতা এবং ওজনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ডায়েট মেনে
প্রেগনেন্সি টেস্ট পজিটিভ হলেই গর্ভধারণ হয়ে গেছে, সন্তান আসছে—এই ধারণা সব সময় সঠিক না-ও হতে পারে। ইউরিন টেস্ট পজিটিভ হলেও পরে একটোপিক প্রেগনেন্সি হতে পারে। একটোপিক প্রেগনেন্সির শুরুর দিকের সব
আমাদের প্রতিদিনের খাবারের স্বাদ নির্ভর করে লবণে। রান্নায় লবণ কম বা বেশি হলে সেটার স্বাদ নষ্ট হয়। অনেক সময় এ থেকেই নষ্ট হয় স্বামী-স্ত্রীর মধুর সম্পর্কও। আয়োডিনযুক্ত লবণ আমাদের গলগন্ড
শুর অতিরিক্ত চঞ্চলতা, অমনোযোগিতা বা অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার (এডিএইচডি ) এখন বেশ প্রচলিত সমস্যা। এর ফলে শিশুটি হয়তো বেশি অস্থির হয়ে পড়ে। শিশুটি হয়তো ক্লাসে এক জায়গায় বসে
সকাল থেকে শুরু করে রাতের ঘুম পর্যন্ত আমরা কিছু না কিছু কাজে ব্যস্ত থাকি এবং এই ব্যস্ততার মাঝে আমরা হয়তো অসাবধানতাবশত শারীরিক দুর্ঘটনায় পড়তে পারি। ফলে দেহের যে কোনো অঙ্গ
চারদিকে ভাপসা গরম। হাঁসফাঁস অবস্থা। এ সময় প্রচণ্ড গরমে শিশুর বিভিন্ন ধরনের রোগ বেড়ে যায়। ডায়রিয়া, পানিশূন্যতা, ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা, অতিরিক্ত ঘাম থেকে সর্দি-কাশি, জ্বর, খাবারে অনীহা–শিশুর এ রকম কিছু
বুক জ্বালা (Heartburn) বা এসিড রিফ্লাক্স বর্তমান সময়ে একটি অত্যন্ত পরিচিত শারীরিক সমস্যা। কমবেশি সব বয়সের মানুষকেই জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এই অস্বস্তিকর অনুভূতির মুখোমুখি হতে হয়। সাধারণত বুকের
কফ পাতলা করা বেশি করে পানি বা গরম স্যুপ পান করুন। গলার পরিচর্যা পানিতে মধু ও লেবু মিশিয়ে পান করুন, খুসখুসে ভাব কমবে। শ্বাসের প্রতিবন্ধকতা সরানো গরম ভাপ নিন,