
স্বাদ ও ঘ্রাণের জন্য
অনেক সবজি আছে, যেগুলো ব্যবহারের পর বা ব্যবহারের সময় খোসা ফেলে দিতে হয়।

আলুর খোসার চিপস
রন্ধনশিল্পী নাজিয়া ফারহানা বলেন, রান্নার সময় আলুর খোসা ছাড়িয়ে নেন অনেকেই। এসব খোসার জায়গা হয় ডাস্টবিনে। এই খোসা দিয়ে তৈরি করতে পারেন মুচমুচে মজাদার পটেটো চিপস। আলুর খোসা ছাড়ানোর আগে ভালো করে ধুয়ে নিন। খোসাগুলো রোদে শুকিয়ে তুলে রাখুন।
পুরো সবজির ব্যবহার
গাজর, মুলা, শালগম রান্নার সময় সবুজ পাতা ফেলে দেন কেউ কেউ। এগুলো দিয়ে বানানো যায় বাড়তি পদ। যেমন—পেস্ট তৈরির জন্য পার্সলে কেনার পরিবর্তে গাজরের সবুজ অংশ ব্যবহার করতে পারেন। সালাদ, স্যুপ তৈরি বা খাবার ড্রেসিংয়ের জন্য মুলা ও শালগমের সবুজ শাক ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া সবুজ স্মুদি তৈরি করতে পারেন এসব সবজির বাড়তি অংশ থেকে।
ফেলনা নয় সবজির বিচি
অনেকেই কুমড়া বিচি ফেলে দেন। না ফেলে দিয়ে ভেজে খেতে পারেন। এটি বেশ পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। এ ছাড়াও বিভিন্ন সবজির বীজ রান্নার সময় বের করে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে রেখে দিন। এরপর ভেজে বিট লবণ দিয়ে মেখে খেতে পারেন। বীজের সঙ্গে লেগে থাকা বাড়তি অংশ স্যুপ ও সালাদের টপিং হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন।
নতুন চারা
অনেক সবজির অংশ ও বীজ থেকে সহজেই নতুন চারা জন্ম নেয়। এ জন্য বেশি কিছুর প্রয়োজনও হয় না। সামান্য মাটি ও পানি পেলেই তড়তড়িয়ে বেড়ে ওঠে। যেমন—পেঁয়াজ, রসুন, লেটুস পাতা, পালংশাক, আদা ইত্যাদির কাটা অংশ ফেলে না দিয়ে পুঁতে দিন। এগুলো থেকে গজানো চারা দিয়ে পুরো পরিবারের প্রয়োজন হয়তো মেটানো সম্ভব নয়, তবু ছোট ছোট চাহিদা মেটাতেই পারেন।
বাগানের সার
বেঁচে যাওয়া ফল, সবজি ও রান্নাঘরের অন্যান্য অংশ ফেলে না দিয়ে বাগানের সার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। খাওয়ার অনুপযোগী ফল, সবজি, চা-পাতা, কফি—এগুলো উত্কৃষ্ট সার হিসেবে কাজ করে। এসব জৈব সার পেলে বাগানের গাছ দ্রুত বেড়ে ওঠে।
ক্লিনজার ও রূপচর্চায়
খাওয়ার অনুপযোগী লেবু দিয়ে বাসনকোসন পরিষ্কার করতে পারেন। এ ছাড়া কলা, শসা, আম, তরমুজ, বাঙ্গি, আনারস, পেঁপে ও ডাবের বেঁচে যাওয়া অংশ দিয়ে রূপচর্চা করতে পারেন।