চৈত্রের বিদায় আর বৈশাখের আগমনে বাঙালির হৃদয়ে এখন উৎসবের আমেজ। চৈত্রসংক্রান্তি ১৪৩২ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে এবার রাজধানী মেতে উঠছে এক মিলনমেলায়। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় শিল্পকলা একাডেমি আয়োজন
নামের বিতর্ক ছাপিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে চলছে পয়লা বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। রংতুলির আঁচড়ে, কাগজ ও বাঁশ-কাঠের কাঠামোয় হচ্ছে বাঘ, প্যাঁচা, পাখি থেকে শুরু করে নানা লোকজ
ভোরের আলো ফুটতেই কাপ্তাই হ্রদে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ ও শিশুর ভিড়। সবাই সেজেছেন নিজেদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে। দল বেঁধে হ্রদের পানিতে ফুল ভাসাতে থাকেন তারা। সেই সঙ্গে প্রার্থনায় আগামী দিনগুলোর জন্য
আজ চৈত্রসংক্রান্তি। বছরের শেষ দিন। নতুন বছরের সঙ্গে যার এক অদৃশ্য সেতুবন্ধন। পুরোনো সময়ের ধুলো মুছে, অদেখা নতুনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার হাতছানি। ঋতু বদলায়, মাটি তার ভেতরে নতুন বীজের জন্য
বাড়ছে গরমের দাপট। সঙ্গে ধুলা-ময়লায় সয়লাব পথঘাট। ঘামে-গরমে ত্যক্ত হচ্ছেন সবাই। বাজছে ত্বকের বারোটা। কী করবেন? গোসল গরমের সময় প্রধান সমস্যা হয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা নিয়ে। এ সময় শরীর ঘামে বেশি,
বৈশাখী থালা ভাত রান্না করে আট-দশ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। আলু ভর্তা উপকরণ সিদ্ধ আলু তিনটি, পেঁয়াজ কুচি করা দুটি, শুকনা মরিচ ভাজা পাঁচ-ছয়টি, ধনেপাতা কুচি দুই টেবিল চামচ, লবণ
বাংলা নববর্ষ বাংলাদেশের সর্বজনীন উৎসব। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই উৎসব উদযাপনের রীতিতে পরিবর্তন এসেছে। যেকোনো উৎসব উপলক্ষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে অভ্যাগতদের আপ্যায়ন করা এ দেশের মানুষের চিরায়ত সংস্কৃতির অংশ। বাংলা
সময় ব্যবস্থাপনা পহেলা বৈশাখে সকাল, দুপুর, বিকেল বা রাতে কোথায় যাবেন তার একটা তালিকা করে নিন। এতে সব জায়গায় সময়মতো ঘুরতে পারবেন। এরপর সেই সময়সূচি ও অনুষ্ঠান অনুযায়ী পোশাক ও
ঢাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বাংলা নববর্ষের দিন প্রতিবছরের মতো এবারও বের হবে বর্ণিল শোভাযাত্রা। ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ বা ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ নয়, এবার এর নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। নামকরণে বদল এলেও এই শোভাযাত্রার মূল কাঠামো ও
লাল পাড় ও সাদা শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে চুড়ি—পহেলা বৈশাখে তরুণীদের জনপ্রিয় সাজ এটিই। পাঞ্জাবি কিংবা ফতুয়া পরে পহেলা বৈশাখে ঘুরে বেড়াবেন তরুণরাও। কারো কারো মাথায় বা কোমরে পেঁচানো থাকবে লাল