ঢাকার প্রখর রোদ যেন কেবল চৈত্রের খামখেয়ালি নয়; বরং সৃষ্টির এক অলক্ষ্য অনুঘটক। তপ্ত দুপুরের এই তাপদাহ যখন নগরবাসীকে ক্লান্ত করে তোলে, ঠিক তখনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের প্রাঙ্গণে কান
রাজধানীর উত্তরা যেন গত শুক্রবার বিকেল থেকে হয়ে উঠেছে এক অনির্দিষ্ট সংলাপের ভূগোল। গ্যালারি কায়ার নীরব প্রাঙ্গণে শুরু হওয়া ‘CROSSROAD… not a project’ শীর্ষক প্রদর্শনীটি কেবল শিল্পকর্মের সমাবেশ নয়; বরং
বাগান– বার্মার মান্দালয় অঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক পর্যটন এলাকা। একসময় এখানে প্যাগোডা, স্তুপা ও মন্দিরের সংখ্যা ছিল ১০ হাজারেরও বেশি। পাঠকদের কেউ কি জানেন, এত বিপুল সংখ্যক প্যাগোডা
কৃষক কখন কোন শস্যের দানাটি বপন কিংবা রোপণ করবে, কখন মেঘ জমবে কি বৃষ্টি হবে, অথবা জমিকে ভেজাতে হবে লাঙলের জিভ দিয়ে– এ সবই নির্ভর করত বঙ্গাব্দ মাসের গতিবিধি, মেজাজ-মর্জির
: হ্যালো। : হ্যালো, বলুন। : এটা কি ঢাকা? : এটা কি ঢাকা মানে কী? কাকে চান আপনি? : না, মানে বলছি, এটা কোন জায়গা? : মোবাইল ফোন তো নিজে
বৈশাখ বাঙালির জাগরণের স্মারক। বৈশাখী মেলা পূর্ণতা দেয় সেই বৈশাখকে। দেশের প্রায় প্রতিটি গ্রামেই হতো বৈশাখী মেলা। এই মেলায় লোকসংগীত, বিশেষ করে বাউলসংগীত একটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে গণ্য হয়। ফলে
অযত্নে সম্পর্ক মলিন হয়; ধুলো জমে— ধরো জানালার শরীর বেয়ে বেড়ে ওঠা মানিপ্লান্টটা তোমার অগোচরে কার্নিশ ঘেঁষে আকাশ ছুঁলো— তুমি ছেঁটে ফেলা ছাড়া তাকে আর কি নামিয়ে আনতে পারবে
ঝাপসা দৃষ্টিতে দেখি আমি পৃথিবী, প্রকৃতি আর মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর দিকে; ক্রমশ আমার চোখ উজ্জ্বল হয়, আয়ত দৃষ্টিতে দেখি অপার সৌন্দর্য। বন্ধনমুক্তির আনন্দ ভাসে আমার চোখে, অশ্রুতে ভেসে যায়
মূলকথাটা হচ্ছে বৈষম্য ভাঙা, পহেলা বৈশাখ সেটাকে ভাঙতে বলে, বলে ভাঙতে হবে সম্প্রদায়ের পার্থক্য তো বটেই শ্রেণিগত অসাম্যও। পহেলা বৈশাখ প্রকৃত গণতন্ত্র চায়, ইংরেজি নববর্ষের সঙ্গে এখানে তার মৌলিক তফাত