সময় ব্যবস্থাপনা
পহেলা বৈশাখে সকাল, দুপুর, বিকেল বা রাতে কোথায় যাবেন তার একটা তালিকা করে নিন। এতে সব জায়গায় সময়মতো ঘুরতে পারবেন। এরপর সেই সময়সূচি ও অনুষ্ঠান অনুযায়ী পোশাক ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র গুছিয়ে নিন; যেমন—ভোরে বা সকালে শাড়ি বা পাঞ্জাবি পরলেন। দুপুর বা বিকেলে স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য কামিজ, কুর্তা, টি-শার্ট বা ফতুয়া বেছে নিলেন।
সম্ভব হলে দুপুরে ঘরে ফিরুন। বিশ্রাম নিয়ে বিকেলে আবার বের হোন। বেশিক্ষণ হাঁটতে হতে পারে, এ জন্য আরামদায়ক জুতা পরুন।
রোদ থেকে রক্ষা
তীব্র রোদে ছাতা, ওড়না বা ক্যাপ ব্যবহার করুন। বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মুখে ও শরীরে সানস্ক্রিন লাগান। ছোট-বড় সবাই রোদে গেলে রোদচশমা পরুন। টানা রোদে বেশিক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। শিশু ও বৃদ্ধদের রোদে বেশিক্ষণ রাখবেন না।
ঘন ঘন পানি পান
গরমে ঘাম হয়। শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। এটা থেকে ক্লান্তি, মাথা ব্যথা, এমনকি হিট স্ট্রোকও হতে পারে। তাই সব সময় সঙ্গে পানির বোতল রাখুন। কোমল পানীয় পান করবেন না। এতে উল্টো তৃষ্ণা বেড়ে যাবে। ডাবের পানি, লেবু পানি, শরবত কিংবা স্যালাইন পান করুন। বাইরে খোলা পানি, শরবত বা বরফমিশ্রিত পানীয় এড়িয়ে চলুন।
ভিড় এড়িয়ে চলুন
শোভাযাত্রা, মেলা, কনসার্ট, দর্শনীয় স্থানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এদিন প্রচুর ভিড় হয়। প্রচণ্ড ভিড়ে কারো কারো শ্বাসকষ্ট হতে দেখা যায়। কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ জন্য ভিড় এড়িয়ে চলুন। ধুলা থেকে সুরক্ষায় মাস্ক ব্যবহার করুন। হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা অ্যালকোহলযুক্ত টিস্যু সঙ্গে রাখুন।
ওষুধ ও প্রাথমিক চিকিৎসা
ডায়াবেটিস, প্রেসার বা অন্য কোনো রোগে ভুগলে প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে রাখুন। ছোটখাটো কাটাছেঁড়ার জন্য ব্যান্ডেজ ও অ্যান্টিসেপটিক সঙ্গে রাখুন।