হুমায়ূন আকাশ সে খুব কষ্টে আছে অন্যখানে কাছে থেকেও দূরে ইচ্ছেরা তাকে ছুঁতে চায় পারি না সময় বড় অসহায়! যদি তাকে দেখতে পাও জানিয়ে দিয়ো আমাদের সংস্কার বিশ্বাস অবিশ্বাস নিঃশ্বাসও
সোহরাব হাসান ঘরে বসে থাকা মানে বেঁচে থাকা নয় ঘরের বাইরে ওই যে লক্ষ কোটি মানুষ মিছিল নিয়ে ডাকছে তোমাকে তুমি কি ঘরে বসে থাকবে একাকী? মুখ বুজে থাকা মানে
দুলাল আল মনসুর আবার চলে এসেছে নোবেল মৌসুম। সর্বাধিক মানুষের কৌতূহলী নজর থাকে নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের দিকে। মনোনয়ন পাওয়ার দিক থেকেও বিশেষ গুরুত্ব পেয়ে থাকে সাহিত্য পুরস্কার। সুইডিশ একাডেমির সদস্য,
মামুন চাকলাদার বাড়ির কিছুটা দূরে ফিশারিতে নজরদারি করে বাড়ি ফিরছিল চল্লিশোর্ধ আমান। কিন্তু সালেকদের বাড়ির পাশে এসে থমকে দাঁড়াল সে। কী মধুর কণ্ঠে মিলাদ শরিফ পড়া হচ্ছে। এর আগেও তার
প্রাচীন ঋগ্বেদের ঋষি থেকে শুরু করে হোমার, রুমি, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল প্রত্যেক যুগেই কবিরা সাহিত্য রচনার সঙ্গে মানুষের মনের অজানা দিকগুলো উন্মোচন করেছেন। সেই অর্থে কবিরা ছিলেন ইতিহাসের প্রথম মনোবিজ্ঞানী। বলতে
রাজু আলাউদ্দিন কেমন হবে একটি বই? তার লক্ষ্য কি জনরঞ্জন নাকি হবে এমন এক অন্বেষণ যেখানে পাঠক নিজের স্বপ্ন, ভয়, কল্পনা, ক্লেদ, ভীতি, অনির্বচনীয় উপলব্ধি আর হঠাৎ আলোর ঝলকানিতে অভিভূত
মানুষ খুঁজছি আমি একজন মানুষ খুঁজছি নাম-সর্বস্ব মানুষ নয় শুধু, তার হাত যুগোল মানুষ হবে তার পা দু’টি মানুষ হবে নিরূপদ্রব থাকবে সবুজ বসুধা। আমি একজন মানুষ খুঁজছি শাব্দিক অর্থেই
যে সামনে হাজির নাই তার কাছে কথা পৌঁছানোর জন্য লেখার সৃষ্টি। আদিম কালে ছবি-মার্কা এইগুলা দিয়া মানুষ তার কথা অনুপস্থিত মানুষকে বুঝাইত। সেই অনুপস্থিত মানুষটা বা মানুষগুলা অইসব ছবি-মার্কা দেইখা
অবশ্যই ✨। কায়কোবাদ (আসল নাম মুহম্মদ কাজিমুদ্দিন হায়দার, ১৮৫৭–১৯৫১) তাঁর অনেক ছোট কবিতার মধ্যে “বিন্দু” কবিতাটিও বিখ্যাত। কবিতাটি আসলে ক্ষুদ্র অথচ মহিমান্বিত সত্তার প্রতি দার্শনিক উপলব্ধি প্রকাশ করে। বিন্দু –
বাংলা কাব্যসাহিত্যের ইতিহাসে উনিশ শতকের শেষভাগ ও বিংশ শতকের প্রথম ভাগ ছিল বৈপ্লবিক পরিবর্তনের যুগ। এই সময়েই আবির্ভূত হন কায়কোবাদ—যিনি বাংলা মহাকাব্যের ধারায় এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর আসল নাম ছিল