উচ্চ রক্তচাপের অবস্থাকে হাইপারটেনশন বলা হয়। আধুনিক জীবনযাত্রায় এই রোগ খুবই ব্যাপক হারে দেখা যাছে। অনেকেই উচ্চ রক্তচাপ-এর উপসর্গগুলি স্বাভাবিক ভাবে বুঝে উঠতে পারেন না। ফলে নিজেদের অজান্তেই বিপজ্জনক পরিস্থিতির
হাত-পা অবশ বা অনুভূতিহীন হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা যে কারোরই হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এটি সাময়িক সময়ের জন্য হয়। কারও আবার ঘন ঘন এ সমস্যা অনুভূত হয়। এমন হলে অবশ্যই
আসন্ন ঈদযাত্রায় দেশের চারটি মহাসড়কে অন্তত চার ধরনের সমস্যায় পড়তে হবে ঘরমুখী মানুষকে। সড়ক ও সেতুতে বোতলগলা (বটলনেক) পরিস্থিতির কারণে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ পথে যানবাহনের অত্যধিক চাপ তৈরি হতে পারে, ঢাকা-চট্টগ্রাম পথে
বাংলাদেশের মানুষ এখন গ্রীষ্ম কাল অতিবাহিত করছে, সামনেই আষাঢ় মাস। এই মাসগুলি আমাদের দেশের গরমতম মাসগুলির অন্তর্গত। এই সময়ে আমাদের দাবদাহের মধ্যে দিন কাটাতে হয়। এতে অনেকেই বিভিন্নরকম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে
অসহ্য গরমে গলা যখন শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়, তখন চোখের সামনে যে ধরনের পানীয় থাকুক না কেন, তা দিয়ে গলা ভেজাতেই মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে। পানীয় দূষিত, নাকি বিশুদ্ধ– সেদিকে
কিডনি রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকটাই
জিহ্বা, মুখ এবং গলার ওপরের অংশের মাংসপেশি শরীরের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব মাংসপেশি আমাদের খাওয়া, কথা বলা এবং শ্বাস-প্রশ্বাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া ঘুমানোর সময় বাতাস চলাচলের রাস্তা বা
কয়েক দিন আগে চেম্বারে একজন ভদ্রমহিলা কানের সমস্যা নিয়ে আসেন। তাঁর প্রধান সমস্যা ছিল কানে অসহ্য চুলকানি এবং কান বন্ধ হয়ে থাকা। এছাড়া ডান কানে প্রচণ্ড ব্যথা এবং কান থেকে
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার সন্তান আমি। শৈশব থেকেই স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হব। প্রধান শিক্ষক বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে আমার শিক্ষাজীবন শুরু হয় ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে। এসএসসির পর ভর্তি হলাম
চলছে গ্রীষ্মকাল। বৈশাখ অর্ধেক পেরিয়ে গেছে, এরপর আসছে গ্রীষ্মের আরেকটি মাস—জ্যৈষ্ঠ। বসন্তের শেষ, অর্থাৎ চৈত্র মাস থেকেই আবহাওয়া শুষ্ক হয় এবং তীব্র গরম পড়তে থাকে। এ বছর এল নিনোর প্রভাব