গোলাম আহমদ মাহজুর (১৮৮৭–১৯৫২) ছিলেন কাশ্মীরের একজন কিংবদন্তিতুল্য ক্লাসিক কবি, যাঁকে আধুনিক কাশ্মীরি কবিতার জনক এবং ‘শায়ের-ই-কাশ্মীর’ (কাশ্মীরের কবি) উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তিনি কাশ্মীরি সাহিত্যের এক যুগান্তকারী ব্যক্তিত্ব, যিনি
প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ আবুল মনসুর আহমদ তাঁর ‘বাংলাদেশের কালচার’ (১৯৬৬) গ্রন্থে বাঙালি মুসলমানের নিজস্ব সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয় ও শেকড়সন্ধানী রূপ তুলে ধরেছেন। [1, 2] সংস্কৃতির স্বরূপ ও ভিত্তি স্বাতন্ত্র্য ও
আমার ত এখন দুইটা হার্ট নিজেরে যে একলা ভাবুম ভাবতে গেলেই লাগে যে, আমার ত এখন দুইটা হার্ট! একটা আমার আরেকটা যে কার! আমি খাইলেই যার খাওয়া হয়ে যায় আমি
নারীকে দেখার অভ্যস্ত চোখে যেন হঠাৎ একটু ধাক্কা লাগে। কোথাও মুখ নেই, অথচ আছে শরীরের ইঙ্গিত; কোথাও শরীরও নেই, আছে শুধু শাড়ির ভাঁজ, রং, অলংকার আর চলনের রেখা। কোথাও আবার
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণের ৫০ বছর পূর্ণ হবে আগামীকাল ২৭ আগস্ট। অর্ধশতাব্দী পর তাঁকে স্মরণ করার তাৎপর্য তাই শুধু মৃত্যুবার্ষিকীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অন্যায়, বৈষম্য ও মানুষের ওপর
‘ওঠ রে চাষী জগদ্বাসী ধর কষে লাঙল।/আমরা মরতে আছি—ভাল করেই মরব এবার চল\’ কাজী নজরুল ইসলামের ‘কৃষাণের গান’ কবিতার প্রথম দুটি পঙক্তি মনে করিয়ে দেয়, আমরা যে তাঁকে বিদ্রোহের কবি
বিদ্রোহী কবি হিসেবে তাঁর সর্বাধিক পরিচিতি। তবে তিনি প্রেম, সাম্য ও মানবতার অসামান্য কবিও।অসাম্প্রদায়িক চেতনার অনন্য কণ্ঠস্বর তিনি। শোষণ-বঞ্চনা, অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে তাঁর সৃষ্টিকর্ম যুগ যুগ ধরে মানুষকে সাহস
কাঠগড়া এমএএম সুমন কতবার দাঁড়াই মনের কাঠগড়ায়, কোনো ধর্মগ্রন্থে হাত না রেখেই যা বলি, সত্য বলি, সত্য বই মিথ্যা বলি না। অধিকাংশ সময় নিজেই বাদী, একটার পর একটা আরজি, সুনসান
আমাদের গ্রামটি ছিল সবুজে ঘেরা এক নীরব স্বর্গ। বিদ্যুতের আলোর ঝলকানি বা ইট-পাথরের দালান সেখানে ছিল না; সন্ধ্যা নামলেই কুপি ও হারিকেনের আলো মেখে মায়াবী এক রূপ নিত চারপাশ। দিনমজুর