ইলেক্ট্রনিক সিক্স-সেন্স ফেরদৌস নাহার প্রবল ঝোড়ো বাতাস, বলেছিল আসবে জলপ্রপাতের দিনে উচ্ছ্বাসের বারান্দা থেকে উঁকি দেয় হারানো রহস্য ডেকে আনা ভোর কিংবা ভোরের ধ্বনি নম্র মুখে খুঁজছে তাকে কাকে! কোন
অনর্থ উৎসবে আজ মেতেছে সময় পরিবেশ প্রকৃতি বিবেচনারহিত বাস্তব, স্বার্থান্ধ কালজ্ঞানহীন। আদিবৃক্ষ নিধনেই ব্যস্ত মানুষ দিকচক্রবাল জুড়ে অস্বচ্ছ কার্বন-আবৃত ঘনছায়া ঘিরে থাকে যেন প্রায়ান্ধ সমাজ-পরিবেশ! মানুষের শুভবোধ মন থেকে ধীরে
১৯৮৬-৮৭ সালের গণঅভ্যুত্থান আকস্মিকভাবে স্তব্ধ হলে অন্য সবার সঙ্গে আমিও সমান বিচলিত হই। রাজনৈতিক দলের বাদানুবাদের আবর্তে শহীদদের শব নামপরিচয়হীন দিগন্তের দিকে ভেসে যায়–এ রকম বেদনা এই চাকা নাটকের মূলে
হয়েছে মেট্রোরেল, হয়েছে ঝকঝকে পাকা পথ, তবু কেন থেমে যায় শহরের চলার রথ? উন্নয়নের আলো জ্বলে নগরের প্রতিটি প্রান্তে, তবু ক্লান্তি নামে নীরবে দিনের প্রতিটি সন্ধিক্ষণে। ভোরের আগেই শহর জাগে
কোনো কোনো শিল্পপ্রদর্শনী শেষ হয়ে যায় নির্ধারিত দিনক্ষণে, কিন্তু তার প্রশ্নগুলো গ্যালারির দেয়াল পেরিয়ে দীর্ঘদিন দর্শকের ভেতরে থেকে যায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার লা গ্যালারিতে ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত দলীয় শিল্পপ্রদর্শনী
ধনাঢ্য পিতার সৃষ্টি-উন্মাদ পুত্র নিছক কবি হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিজের সচ্ছল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনকে একজন মানুষ কতটা বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দিতে পারেন, মধুসূদন দত্ত তার সম্ভবত
ঢাকার ধানমণ্ডির সফিউদ্দীন শিল্পালয়ে প্রবেশ করতেই দর্শকদের চোখ আটকে যায় একটি চিত্রকর্মে। চারকোল মাধ্যমে আঁকা ছবিটির নাম ‘চোখ কথা বলে’। ছবিতে ফুটে উঠেছে গভীর দৃষ্টির এক তরুণের অবয়ব। সেই চোখ ভাষাহীন
‘চলে যাব—তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ/প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,/এ বিশ্বকে এ শিশুর জন্য বাসযোগ্য ক’রে যাব আমি—/ নবজাতকের কাছে এ আমার অঙ্গীকার।’—এই প্রত্যয় মনে আর মননে নিয়ে কবি সুকন্ত
বক্তা রেজাউদ্দিন স্টালিন মানুষসদৃশ এক বাঘ এলেন আমন্ত্রিত হয়ে বক্তৃতা দিতে তিনি যখন মানব সভ্যতার কথা বললেন তার ডোরাকাটা দাগ আরও স্পষ্ট হলো আর যখন খ্রিষ্টের অন্তিম আহারের কথা বললেন
দার্শনিক ও চিন্তক সরদার ফজলুল করিমকে নিয়ে আলোচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেছেন, যেকোনো মানুষ গড়ে ওঠে তাঁর স্থান, কাল ও পরিবেশের ওপর। সেখান থেকে আলাদা করে