অবসর জীবনে গিয়ে অনেকে আর্থিকভাবে অসচ্ছলতার মধ্যে পড়েন। কয়েক দশক চাকরির পর সরকারি চাকরিজীবীরা যে পেনশনের টাকা পান, সেই টাকা ভেবেচিন্তে বিনিয়োগ না করার জন্য শেষ বয়সে অনেক অবসরভোগী নানা
নিচে একটি স্বল্প প্রস্তাবিত রূপরেখা ও বিশদ তথ্য নিয়ে লেখা আছে — যদিও “আবদুর রফিক থেকে আহমদ রফিক নাম পরিবর্তন” বিষয় সম্পর্কে প্রচুর প্রামাণিক উৎস পাওয়া যায়নি, তথ্যানুসন্ধান ও সংবাদপত্র-উৎস
আপনার বার্তায় দু’টি ভিন্ন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের নাম একসাথে এসেছে— শেরশাহ এবং ইবনে বতুতা।এরা সম্পূর্ণ আলাদা সময় ও অঞ্চলের মানুষ ছিলেন। ১. শেরশাহ সুরি (Sher Shah Suri) আসল নাম: ফারিদ খান
রাজা রামমোহন রায় : ভারত নবজাগরণের পুরোধা ভূমিকা ভারতবর্ষের ইতিহাসে উনিশ শতককে বলা হয় “ভারতীয় নবজাগরণের যুগ”। এই নবজাগরণের সূচনায় যিনি প্রথম দিশারী হয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন, তিনি হলেন রাজা রামমোহন
আন্দমোহন বসু ছিলেন উনিশ শতকের শেষ ভাগের এক বিশিষ্ট সমাজসংস্কারক, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী এবং জাতীয়তাবাদী নেতা। তাঁর ব্যক্তিত্ব ছিল বহুমাত্রিক ও প্রভাবশালী, যা সমকালীন বাঙালি সমাজে নতুন দিশা এনে দিয়েছিল। ব্যক্তিত্বের
শেরশাহ সূরির ইতিহাস পরিচয়শেরশাহ সুরি (Sher Shah Suri) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের একজন অসাধারণ শাসক। তাঁর আসল নাম ফরিদ খান। তিনি আফগান সূর গোত্রের মানুষ ছিলেন। জন্ম প্রায় ১৪৭২ খ্রিষ্টাব্দে বর্তমান
নবাব সিরাজউদ্দৌলা – জীবনী ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ভূমিকা ভারতের ইতিহাসে অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় ছিল গভীর অস্থিরতার যুগ। মোগল সাম্রাজ্যের ক্ষমতা ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু হয়ে পড়ছিল, আরেকদিকে ইংরেজ ও ফরাসি বাণিজ্যিক
শহিদ তিতুমীর ও বাঁশের কেল্লা বাংলার স্বাধীনতার ইতিহাসে শহিদ তিতুমীর (Syed Mir Nisar Ali Titumir) একটি অনন্য নাম। তিনি ছিলেন কৃষক বিদ্রোহের অগ্রদূত, মুসলমান কৃষকদের অধিকার রক্ষাকারী এবং ব্রিটিশ ও
বাংলার ইতিহাসে স্বাধীনতা ও ধর্মীয় অধিকার রক্ষার সংগ্রামের এক গৌরবোজ্জ্বল নাম হলো শহিদ তিতুমির। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও জমিদারি অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক। তাঁর সাহসী নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল
সম্রাট আওরঙ্গজেব সম্রাট আওরঙ্গজেব ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের ষষ্ঠ সম্রাট এবং সম্রাট শাহজাহানের তৃতীয় পুত্র। তিনি ১৬৫৮ সালে পিতার পতনের পর মসনদে বসেন এবং ১৭০৭ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৪৯ বছর