সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।
স্বাস্থ্য ও জীবন

ভার্জিন মাহবুব আলী

যখন হালকা আলাপের ভাঁজে গভীর ফিসফিস জিজ্ঞাসা নেমে এলো, চারদিক বুঝি স্তব্ধ; এমন প্রশ্নও করে মানুষ? আবু সালেক সামনে সরাসরি তাকালেন বটে, রাশভারি চেহারা; জিজ্ঞাসার জবাব নেই। কী বলবেন তিনি?

বিস্তারিত...

অনুশোচনার কান্না শেখ মোহাম্মদ আলী

আজ শ্রাবণের বৃষ্টিতে সয়লাব হয়ে আছে পথঘাট। বড় ফুফি, বৃষ্টিতে জবুথবু হয়ে এসেছেন। সে তার পৈতৃক জমির অংশটি প্রদানের জোড়ালো দাবি জানাচ্ছেন। কিন্তু টাল বাহানা করছে বাবা। তা নিয়ে শুরু

বিস্তারিত...

নিয়ম করে হাঁটুন : সুস্থ থাকুন

নিজেকে শারীরিকভাবে ফিট রাখার জন্য হাঁটার কোনও বিকল্প নেই। নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস করলে শরীরের বাড়তি মেদ কমে যায় নিশ্চিত ভাবে। তবে প্রতিটি বিষয়েরই যেমন নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। হাঁটাহাঁটির ক্ষেত্রেও

বিস্তারিত...

রোগ প্রতিরোধে পেয়ারার ভূমিকা

মৌসুমী ফলের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ফল পেয়ারা। সবুজ রঙের এ ফলটি স্বাস্থ্যপদ ও সহজ লভ্য বলে একে গরিবের আপেল বলা হয়। ফলটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টি গুণে অতুলনীয়।

বিস্তারিত...

মানসিক স্বাস্থ্যই জীবনের সুরক্ষা

প্রতি বছর ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়। ২০০৩ সাল থেকে আন্তর্জাতিক আত্মহত্যা প্রতিরোধ সংস্থা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা -এর যৌথ উদ্যোগে এই দিবসের সূচনা হয়। এর

বিস্তারিত...

শিশুদের শ্বাসকষ্ট কেন হয়

শীতের এই সময়ে আবহাওয়া হয়ে পড়ে শুষ্ক, ধুলাবালুও যায় বেড়ে। শ্বাসতন্ত্র সংক্রমণের নানা উপসর্গ, যেমন কাশি, সর্দি, জ্বর, শ্বাসকষ্টে ভোগে শিশু। এসবের মধ্যে শ্বাসকষ্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ, যা শুরু হলে দ্রুত

বিস্তারিত...

বাড়ন্ত শিশুর মস্তিষ্কের পুষ্টি

শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ নিশ্চিত করতে চাই পুষ্টিকর খাবার। নইলে মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি, কাজে মনোযোগ ও একাগ্রতা, নতুন কিছু শেখা ও মনে রাখার ক্ষমতা এবং সামগ্রিক বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নতিতে সাহায্য করে বেশ কিছু খাবার। দীর্ঘদিন একই ধরনের খাবার দেওয়া হলে শিশুর মনে অনীহা তৈরি করতে পারে। তাই কিছুদিন পর পর খাবার বদল করা জরুরি।   মস্তিষ্কের বিকাশে শিশুকে যা খাওয়াবেন ►   তেলযুক্ত মাছ; যেমন—স্যামন, সার্ডিন, ম্যাকারেল বা ইলিশ। এ ধরনের মাছের মধ্যে আছে দুই ধরনের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এটি মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সাহায্য করে এবং বাড়ায় স্মৃতিশক্তি। ►   ডিমের মধ্যে আছে কোলিন, ভিটামিন বি৬, বি১২ ও উচ্চমানের প্রোটিন। প্রতিটি উপাদান স্নায়ুকোষকে রাখে সক্রিয় এবং শিশুর নতুন কিছু শেখার সক্ষমতা বাড়ায়। ►   দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ানো খুবই জরুরি। এর মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, বি ও প্রোটিন স্নায়ুতন্ত্র এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। ►   বাদাম ও বিভিন্ন ধরনের বীজ; যেমন—আখরোট, কাঠবাদাম, চিয়া, ফ্ল্যাক্সসিড ও সূর্যমুখীর বীজ। প্রতিটি খাবারে আছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ই। এগুলো মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। ►   শিশুকে সবুজ শাক-সবজি; যেমন—পালং শাক, কলমি শাক ও ব্রকোলি খাওয়ানো জরুরি। আয়রন, ফলেট ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাদ্য মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ করে, মনোযোগ ও শেখার ক্ষমতা বাড়ায়। ►   খাবারের তালিকায় ফল রাখা প্রয়োজন। ব্লুবেরি, আঙুর, কমলা, কলা ও আপেল রাখুন খাবারের তালিকায়। এর মধ্যে থাকা বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মস্তিষ্ককে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে। ►   ডার্ক চকোলেট (সীমিত পরিমাণে) দেওয়া যেতে পারে। এর মধ্যে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যাফেইন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মনোযোগ ও মুড ভালো রাখতে সাহায্য করে।   মনে রাখা চাই ►   প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি খাওয়া জরুরি। ►   অতিরিক্ত চিনি, জাংক ফুড ও সফট ড্রিংকস কমাতে হবে। ►   ঘুম ও শারীরিক কার্যকলাপও মস্তিষ্কের উন্নতির জন্য অপরিহার্য।

বিস্তারিত...

প্রবীণদের সুস্থতায় ফিজিওথেরাপি

৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস। এবারের উপপাদ্য ‘সুস্থ বার্ধক্যে ফিজিওথেরাপি ও শারীরিক কার্যকলাপের ভূমিকা : দুর্বলতা ও পড়ে যাওয়া প্রতিরোধ’। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সংযুক্ত স্বাস্থ্যগত চ্যালেঞ্জ এবং সেসব প্রতিরোধে ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিই এবারের দিবসটির মূল লক্ষ্য। বার্ধক্য জীবনের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটি শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনে।   শরীরে বার্ধক্যের প্রভাব বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে শারীরিক শক্তি, পেশির কার্যক্ষমতা, হাড়ের ঘনত্ব এবং ভারসাম্য কমে যেতে থাকে। এর ফলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়; যেমন— পেশি দুর্বলতা : বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেশির পরিমাণ ও শক্তি হ্রাস পায়, যা দৈনন্দিন কাজ করা কঠিন করে তোলে। হাড়ের ভঙ্গুরতা : অস্টিওপরোসিসের মতো অবস্থায় হাড়ের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়। ভারসাম্য হ্রাস : হাঁটাচলার ভারসাম্য নষ্ট হওয়া বয়স্কদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি তৈরি করে। বিভিন্ন অসুখবিসুখের ঝুঁকি : আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন ও অন্যান্য ক্রনিক রোগ বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষের মধ্যে প্রতিবছর প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ অন্তত একবার পড়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়। এমন পড়ে যাওয়া অনেক সময় গুরুতর আঘাত বা অক্ষমতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে বৃদ্ধদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়, আত্মনির্ভরতা কমে যায় এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।   ফিজিওথেরাপির অবদান প্রবীণদের ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি দেহকে সুস্থ ও সক্রিয় রাখতে, তাঁদের স্বাভাবিক জীবনধারা ধরে রাখতে অপরিহার্য। ফিজিওথেরাপি ও নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধ বয়সে শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে, পড়ে যাওয়া প্রতিরোধ করতে এবং মানসিক সুস্থতা উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন— শক্তি ও ভারসাম্য বৃদ্ধি : নিয়মিত ব্যায়াম ও ফিজিওথেরাপি অনুশীলনের মাধ্যমে পেশির শক্তি বৃদ্ধি পায়। ভারসাম্য উন্নত হয়, যা হাঁটাচলা, সিঁড়ি বেয়ে ওঠা বা দৈনন্দিন কাজ সহজ করে তোলে। হাড় ও জয়েন্টের স্বাস্থ্য রক্ষা : অস্টিওপরোসিস ও আর্থ্রাইটিসের মতো ক্রনিক রোগ নিয়ন্ত্রণে ফিজিওথেরাপি অত্যন্ত কার্যকর। ব্যায়ামের মাধ্যমে হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করা সম্ভব এবং জয়েন্টের ফ্লেক্সিবিলিটি বজায় রাখা যায়।   স্বনির্ভরতা : ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে ফিটনেস ফিরে পেলে হালকা কাজের জন্য প্রবীণরা স্বনির্ভর জীবনযাপন করতে পারেন। মানসিক সুস্থতা : শারীরিক কার্যকলাপ মানসিক চাপ কমায়, ডিপ্রেশন প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং সামাজিকভাবে সক্রিয় রাখে। নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে তাঁরা পরিবার ও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হন। দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুবিধা : নিয়মিত ফিজিওথেরাপি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, শ্বাসকষ্ট এবং অন্যান্য ক্রনিক রোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।   শারীরিক ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধ বয়সে শারীরিক ক্রিয়াকলাপ শুধু পেশি ও হাড়ের স্বাস্থ্য নয়, বরং মানসিক সুস্থতা, মানসিক চঞ্চলতা এবং সামাজিক যোগাযোগ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। শারীরিক কার্যকলাপের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে— ►   হালকা হাঁটা বা জগিং। ►   ভারসাম্য ও পেশিশক্তি বৃদ্ধির ব্যায়াম। ►   স্ট্রেচিং ও ফ্লেক্সিবিলিটি অনুশীলন। ►   হালকা যোগব্যায়াম বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম  ফিজিওথেরাপিস্টদের পরামর্শে ব্যায়ামের পরিকল্পনা গ্রহণ করলে ফলাফল আরো কার্যকর হয়।   প্রতিরোধ সুস্থতা ধরে রাখতে প্রতিরোধই সর্বদা শ্রেয়। বৃদ্ধ বয়সেও সুস্থ থাকতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখন থেকেই মেনে চলা প্রয়োজন; যেমন—

বিস্তারিত...

নীরব ঘাতক ওভারিয়ান ক্যান্সার

বিশ্ব ওভারিয়ান ক্যান্সার সচেতনতা মাস সেপ্টেম্বর। এ রোগটিকে ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারও বলা হয়। নারীদের এই রোগ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রাণহানির নীরব কারণ। সুস্পষ্ট কোনো লক্ষণ দেখা দেওয়ার আগেই এটি খুব দ্রুত শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে, যাকে বলা হয় মেটাস্টেসিস। সব ধরনের ক্যান্সারের মধ্যে এটিই অ্যাডভান্সড বা শেষ স্টেজ। মেটাস্টেসিসের পর চিকিৎসকের আর তেমন করণীয় কিছু থাকে না। তাই এ রোগে মৃত্যুর হার অন্যান্য ধরনের ক্যান্সারের তুলনায় বেশি। কিভাবে হয় নারীদের ডিম্বাশয়ে এ ধরনের ক্যান্সারের উৎপত্তি। এটি নারীদের প্রজননতন্ত্রের অংশ, যা ডিম্বাণু তৈরি করে এবং নারীর হরমোন ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন উৎপাদন করে থাকে। কোনো কারণে যদি ডিম্বাশয়ের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে টিউমার তৈরি করে, তখন তা ওভারিয়ান ক্যান্সারে পরিণত হয়। পরিসংখ্যান বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের ওভারিয়ান ক্যান্সার রোগীদের চিত্র বেশ আলাদা। কারণ সচেতনতা অভাব। এই রোগ শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অপ্রতুলতা এবং দক্ষ লোকবলের ঘাটতিও রয়েছে।   ►   সারা বিশ্বে নারীদের মধ্যে ক্যান্সারে মৃত্যুর এটি অন্যতম প্রধান কারণ। ►   প্রতিবছর প্রায় তিন লাখ নতুন রোগী শনাক্ত হয় এবং প্রায় দুই লাখ রোগীর মৃত্যু ঘটে। ►   উন্নত দেশগুলোতে প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হওয়ায় মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে কম। ►   বাংলাদেশের ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীদের মধ্যে পরিসংখ্যান অনুযায়ী ওভারিয়ান ক্যান্সারের স্থান তৃতীয়। এর আগে আছে স্তন ও জরায়ু ক্যান্সার। ►   দেরিতে শনাক্ত হওয়ার কারণে বাংলাদেশে মৃত্যুহার বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি। ►   জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ২০২০ সালের ক্যান্সার রেজিস্ট্রি অনুযায়ী, ডিম্বাশয় ক্যান্সার সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে ৪৫ থেকে ৫৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে। বাংলাদেশের অনেক গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সচেতনতার অভাব এবং চিকিৎসা সুবিধার ঘাটতির কারণে এই ক্যান্সারে মৃত্যুহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। কারণ ও ঝুঁকি ►   বয়স : বয়স ৪০ বছর পার হলে এ রোগের ঝুঁকি থাকে। ৫০ বছর পার হলে ঝুঁকি অনেক বাড়তে থাকে। ►   পারিবারিক কারণ : বিআরসিএ১ ও বিআরসিএ২ নামক জিনের পরিবর্তনের ফলে ডিম্বাশয় ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই পরিবর্তন উত্তরাধিকারসূত্রেও সঞ্চারিত হতে পারে। ►   হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি : মেনোপজের পর দীর্ঘদিন হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি গ্রহণ করলে ঝুঁকি বাড়তে পারে। ►   এন্ডোমেট্রিওসিস : এ রোগটিতে জরায়ুর ভেতরের টিস্যু বাইরেও গজায়। এতে ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ে। ►   পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম : ডিম্বাশয়ে সিস্ট তৈরি হয়, ক্যান্সারের আশঙ্কা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ►   গর্ভধারণ : সন্তান না হওয়া বা দেরিতে সন্তান নেওয়ায় এর ঝুঁকি বাড়ে। ►   অতিরিক্ত ওজন : দেহের অতিরিক্ত ওজন সরাসরি ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত। ►   অভ্যাস : ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণ। ►   ওভুলেশন : দীর্ঘ সময় ধরে ডিম্বাশয় সক্রিয় থাকা (ওভুলেশন)। এতে ঝুঁকি কিছুটা বেড়ে যেতে পারে।   লক্ষণ প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগটির সুস্পষ্ট উপসর্গ নাও থাকতে পারে। ক্যান্সারটির পর্যায় অগ্রসর হলে দেখা দিতে পারে কিছু লক্ষণ; যেমন—

বিস্তারিত...

হৃদরোগীর ডেঙ্গু হলে

ফের মারাত্মক রূপ নিচ্ছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। এমনকি বাড়ছে প্রাণহানিও। চলতি মাসে (জুন) প্রতিদিন ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে বাড়ছে। এমনকি এ বছরের মার্চ থেকে মে

বিস্তারিত...

© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com