ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের জীবন, সম্পদ ও সম্মান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন মুসলমানের যেমন অন্যের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি করা নিষিদ্ধ, তেমনি তার সম্মান ও সামাজিক মর্যাদায় আঘাত করাও নিষিদ্ধ।ইসলাম এমন একটি
হে মমতাময়ী মাতা, হে স্নেহশীল পিতা! আপনারা হয়তো মনে করেন, আপনারাই আদর্শ মা-বাবা; হয়তো আপনাদের মনে হয়, সন্তান প্রতিপালনে আপনারা পরিপূর্ণতা অর্জন করেছেন। কিন্তু একটু থামুন, একটু গভীরভাবে নিজেদের বাস্তবতাকে
আয়-রোজগারে বরকত লাভের একটি মাধ্যম হলো সাধ্য মতো মানুষকে খাওয়ানো। অনেকে মনে করে অন্যকে খাওয়ালে আমার সম্পদ কমে যাবে, অভাব নেমে আসবে, তবে বাস্তবতা ভিন্ন।মানুষকে খাওয়ানো শুধু মানবিক সহানুভূতির প্রকাশ
ভালোবাসা গড়ে তোলা (১৫টি নীতি) ১. সুন্দর ও মধুর কথা হৃদয় জয়ের চাবিকাঠি। ২. প্রতিদিনের একটি হাসি ভালোবাসাকে নবায়ন করে। ৩. উপহার ছোট হলেও তার প্রভাব অনেক বড়। ৪. জীবনসঙ্গীর
বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবন দেশগুলোর মধ্যে একটি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মানুষের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কমবেশি কাজ করে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ সাধারণত আল্লাহর পক্ষ হতে বান্দার জন্য সতর্কতামূলক বার্তা। আল্লাহ তাআলা কখনো কখনো
মানবসভ্যতার ইতিহাসে চিকিত্সাসেবা এক মহত্ ও সম্মানজনক পেশা। অসুস্থের সেবা, আহতের পরিচর্যা এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল। এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি একটি প্রাণ
আব্বাসীয় খিলাফতের স্বর্ণযুগে, বিশেষ করে অষ্টম থেকে একাদশ শতাব্দী পর্যন্ত বাগদাদকে কেন্দ্র করে যে বৈশ্বিক রেনেসাঁর সূচনা হয়েছিল, তার প্রাতিষ্ঠানিক রূপই হলো ‘বাইতুল হিকমাহ’ বা ‘জ্ঞানের গৃহ’। সমকালীন ইতিহাসচর্চায় বাইতুল হিকমাহকে প্রায়শই শুধু
ইসলামী শরিয়তে মা-বাবার সম্মান, মর্যাদা ও যত্ন অনিবার্য। ইসলাম সন্তানের জন্য মা-বাবাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন এবং তাঁদের প্রয়োজনীয় দায়িত্ব গ্রহণকে বাধ্যতামূলক করেছে। নিষিদ্ধ করেছে তাঁদের প্রতি ন্যূনতম অসদাচরণকে। পবিত্র কোরআনে
সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এক রাজকীয় আদেশে তাকে এ দায়িত্বে নিয়োগ দেন। বিষয়টি জানিয়েছে হারামাইনভিত্তিক ওয়েবসাইট ইনসাইড দ্য হারামাইন। শায়খ আলী হুযাইফি ১৯৪৭ সালের ২২ মে সৌদি আরবের
জাহান্নাম সৃষ্টি করা হয়েছে কঠোর হৃদয় ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়ার জন্য। কঠোর হৃদয় ব্যক্তি আল্লাহ থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করে। কোনো গুনাহ ব্যক্তির জন্য হৃদয় কঠোর হওয়ার চেয়ে ক্ষতিকর নয়। যখন