নদীমাতৃক বাংলাদেশে মাছ মানুষের খাদ্যতালিকার অন্যতম প্রধান উপাদান। মাছ যেমন আমাদের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে, তেমনি গ্রামীণ অর্থনীতি ও জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কিন্তু দীর্ঘদিনের প্রচলিত মাছ চাষ পদ্ধতিতে উৎপাদনের
দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে পাকা ধানের সোনালি ক্ষেত। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর চিরচেনা একটি চিত্র। সে তুলনায় ইউরোপের দেশগুলোতে ধানের চেয়ে গম ও ভুট্টার চাষই বেশি হয়। তবে এবার গ্রীষ্মে রেকর্ড
সাত বছর আগের ঘটনা। চুয়াডাঙ্গা সদরের বেলগাছি গ্রামের স্কুল শিক্ষক ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষক বখতিয়ার হামিদের সঙ্গে বেলগাছির বকচর বিলে ঘুরছি। লম্বাটে সরু বিল। তবে জলচর পাখিদের বসবাস ও চারণের জন্য
ছত্রাকের গুরুত্ব (The Importance of Fungi) ছত্রাকের বিভিন্ন ব্যবহার খাদ্য হিসেবে ছত্রাক (Fungi as food): মাশরুম (mushrooms-Agaricus, Volvariella), মোরেল (morels-Morchella, ট্রাফল (truffles-Tuber) প্রভৃতি নামে পরিচিত বিভিন্ন প্রজাতির ছত্রাক বাংলাদেশসহ পৃথিবীর
অন্তর্বর্তী সরকার সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ২৬টি পাটকলের মধ্যে ২০টি বেসরকারি খাতে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেসরকারি বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তি ও বাজারকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া
ধানের আরো পাঁচটি নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) বিজ্ঞানীরা। মাঠ পর্যায়ে এই জাতগুলো ব্যাপক সাফল্যও পেয়েছে। আগামী সপ্তাহে এটি কারিগরি কমিটির সভায় উপস্থাপনের পর জাতীয় বীজ
পাট বাংলাদেশের সোনালি আঁশ। মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ২ শতাংশ উপার্জিত হয় পাট ও পাটপণ্য থেকে। তৈরি পোশাক শিল্পের পর এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত। পাট থেকে আহরিত মোট বৈদেশিক মুদ্রার প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসে কাঁচা পাট রপ্তানি থেকে। একসময় পাট ও পাটজাত পণ্যই ছিল বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত। কালক্রমে তা
জাম্বুরা বিভিন্ন নামে পরিচিত বাংলাদেশে। এক এক অঞ্চলে এক এক নামে বলা হয়। যেমন-জাম্বুরা, বাতাবি লেবু, বাদামি লেবু, ছোলম, বড় লেবু ইত্যাদি। লেবু যত প্রকারের আছে তন্মধ্যে এই জাম্বুরা হচ্ছে
রাজশাহীর পবা থানার মাহিন্দ্রতে প্রায় ৩০ বিঘার খামার ‘নাবা ডেইরি অ্যান্ড ক্যাটল ফার্ম’। খামারের সঙ্গে কয়েক শ বিঘা মাঠে দেখা যায় গবাদিপশুর জন্য ঘাস চাষ। ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করা
বন্ধুত্ব একধরনের নির্ভরতা। স্কুলজীবন, কর্মজীবনে সহপাঠী-সহকর্মীদের অনেকেই হূদয়ে জায়গা করে নেয়। সময়ের পরিক্রমায় হূদয়ের ঘনিষ্ঠ মানুষ হয়ে ওঠে তারা। সেই সম্পর্কগুলোকে ছুঁয়ে দেখার, নতুন করে মূল্য দেওয়ার সুযোগ করে দেয়