সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

নোমানের ইতিহাস গড়া হ্যাটট্রিক

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে
NOman
NOman

কেভিন সিনক্লেয়ারের উইকেটটি নিয়ে এক অনন্য রেকর্ডের খাতায় নিজের নাম লিখে ফেললেন নোমান আলী। আজ (২৫ জানুয়ারি, ২০২৫) এই বাঁহাতি স্পিনার পাকিস্তানের টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম স্পিন বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিকের দেখা পেলেন। মুলতানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনের সকালে এ ঘটনা ঘটেছে।

হ্যাটট্রিক তো ক্রিকেটে হরহামেশাই ঘটে। বিশেষ করে ক্রিকেট টি-টোয়েন্টি যুগে প্রবেশের পর হ্যাটট্রিক নিয়মিত হচ্ছে। তবে সেটা কুড়ি ওভারের সংস্করণে এবং ঘরোয়া পর্যায়েই বেশি। তবে এই ঘটনা যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ঘটে, সেটা এখনও ‘বিশেষ’ হিসেবেই গন্য হয়। আর হ্যাটট্রিকটা যদি হয় টেস্টে, তবে সেটা আজও ক্রিকেট বিশ্বে আলোড়ন তুলে।

নোমান আলী সেই আলোটাই কেড়ে নিলেন নিজের দিকে। ব্যাপারটা আরও গুরুত্বপূর্ণ কারণ পেস ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে খ্যাত পাকিস্তানে বহু কালজয়ী স্পিনার আসলেও কেউ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে লাল বলে হ্যাটট্রিকের দেখা পাননি। ৩৮ বছরের নোমান সেই কীর্তিই গড়লেন।

একটুর জন্য আরেকটি বিশ্বরেকর্ড হয়নি নোমানের। ৩৮ বছর ১১০ দিন বয়সে হ্যাটট্রিক করেছেন তিনি। তার চেয়ে বেশি বয়সে এই কীর্তি আছে টেস্ট ইতিহাসে কেবল একজনেরই। ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার বাঁহাতি স্পিন গ্রেট রাঙ্গানা হেরাথ হ্যাটট্রিক করেছিলেন ৩৮ বছর ১৩৯ দিন বয়সে।

 

টেস্টে পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে নোমানেরটি ষষ্ঠ হ্যাটট্রিক। এরপরও এটি আলাদ। কারণ, আগের পাঁচটিই ছিল পেসারদের। স্পিনকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলেন পাকিস্তানিরাই। গুগলি (আবদুল কাদির) কিংবা দুসরা’র (সাকলাইন মুশতাক) জনক তারাই। দেশটির ইতিহাসে আরও আছে মুশতাক আহমেদ, দানিশ কানেরিয়া এবং সাঈদ আজমলদের মতো স্পিনারদের নাম। তবে কেউই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে লাল বলে হ্যাটট্রিকের দেখা পাননি।

নোমানের আগে পাকিস্তানের মাটিতে সর্বশেষ হ্যাটট্রিক দেখা গিয়েছিল ২০২০ সালে। সেখানেও আছে বাংলাদেশ নাম। কোভিড-১৯ মহামারির আগে রাওয়ালপিন্ডি স্টেডিয়ামে টাইগারদের বিপক্ষে টানা তিন বলে উইকেট নেন নাসিম শাহ।

পাকিস্তানের পেসারদের মধ্যে অন্য চারটি হ্যাটট্রিকের দুটি ওয়াসিম আকরামের। দুটিই ১৯৯৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। অন্য দুটি আবদুর রাজ্জাক (২০০০) ও মোহাম্মদ সামির (২০০২)। এ দুটি ম্যাচের প্রতিপক্ষও ছিল শ্রীলঙ্কাই।

এদিকে আজ টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শুরুর দিকের ব্যাটিং লাইন-আপ। নোমানের হ্যাটট্রিকের কারণে ৪ উইকেটে ৩৮ থেকে, ৭ উইকেটে ৩৮ রানে পরিণত হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর ১৬ রানের জুটি গড়েন কেভিন হজ এবং গুদাকেশ মোতি। ২১ রান করা হজ আবরার আহমেদের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরে যান।

সেখান থেকে কেমার রোচকে নিয়ে ৪১ রানের দ্রুতগতির আরেকটা জুটি গড়েন মোতি। রোচকে ২৫ রানে ফিরেয়ে ক্যারিয়ারের তৃতীয় ‘ফাইফার’ অর্জন করেন নোমান।

শেষ উইকেটে জোমেল ওয়ারিক্যানকে নিয়ে মোতি ঝড়ো ব্যাটিং চালিয়ে যান। নোমানের ষষ্ঠ উইকেটে পরিণত হওয়ার আগে মোতি করেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৫৫ রান। অন্যদিকে অপরাজিত থাকা ওয়ারিক্যানের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ রান। দশম উইকেটে এই দু’জনের ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৮ রানের জুটির সুবাদে ১০ উইকেট হারিয়ে উইন্ডিজ স্কোরবোর্ডে ১৬৩ রান জড়ো করে। ক্যারিবিয়ানরা মাত্র ৪১.১ ওভার ব্যাটিংয়ে টিকে ছিল।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com