সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

ইতিহাস গড়ে মূল পর্বে বাংলাদেশ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

ক্রীড়া প্রতিবেদক : গ্রুপসেরা হয়ে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে যেতে ড্র করলেই চলত বাংলাদেশের। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে মেয়েরা শুরুতে গোল করে সেই পথেই হাঁটছিলেন। কিন্তু এর পরই কোরিয়া তাদের শক্তি দেখিয়েছে। প্রথমার্ধে সমতা টেনে পরের অর্ধে আরো ৫ গোল করে ৬-১-এ জিতে গ্রুপের সেরা হয়ে কোরিয়া পৌঁছে যায় মূল পর্বে।বড় ব্যবধানে হারলেও ‘এইচ’ গ্রুপ থেকে কোরিয়ার সঙ্গী হয়েছে বাংলাদেশও। আট গ্রুপের মধ্যে সেরা তিন রানার্স আপের একটি হয়েছেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তাতে প্রথমবার মেয়েদের এই পর্যায়ে এশিয়ান কাপের মঞ্চে খেলার সুযোগ মিলেছে আফঈদা খন্দকার-সাগরিকাদের। ফলে টানা দুটি আসরে এখন এশিয়ার মূল পর্বে খেলবে বাংলাদেশ।আগেই সিনিয়র দল এশিয়ার মঞ্চ নিশ্চিত করায় অনূর্ধ্ব-২০ দলের ওপরও প্রত্যাশার চাপ ছিল। সঙ্গে টানা ম্যাচ খেলার ক্লান্তি তো ছিলই। কিন্তু পিটার বাটলারের কৌশলে মেয়েরা লাওসেও ফুটবলের সৌরভ ছড়িয়েছেন। লাওসকে ৩-১ গোলে হারানোর পর পূর্ব তিমুরকে ৮-০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত করে সেদিন গোল ব্যবধান বাড়িয়ে নেন।সেটাই বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে মূল পর্বে। তিন ম্যাচে ৬ পয়েন্টের সঙ্গে গোল গড় +৫। বাটলারের দল পেছনে ফেলেছে লেবানন, হংকং ও মায়ানমারের মতো দলকে। মূল পর্বে যাওয়ার আনন্দ থাকলেও শিষ্যদের নৈপুণ্যে খুশি হতে পারেননি বাটলার, ‘প্রথম ৪৫ মিনিট আমরা ভালো খেলেছি। এরপর আর পেরে উঠিনি।অনেক শক্তিশালী একটি দলের কাছে হেরেছি। এদিন ওরা (কোরিয়া) আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিল। ওদের সঙ্গে আমাদের তুলনাই হয় না। যদিও আমাদের দলে বেশ কিছু সমস্যা ছিল। ইনজুরি ও জ্বরে আক্রান্ত কয়েকজন। এর পরও মূল পর্বে যেতে পারায় মেয়েদের অভিনন্দন।’

কোরিয়ার বিপক্ষে কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়তে হবে, সেটা আগেই জানা ছিল। যে কারণে এই ম্যাচ থেকে অনেক কিছু শেখার কথা জানিয়েছেন বাটলার। কিন্তু লাওস জাতীয় স্টেডিয়ামে আক্রমণাত্মক কৌশলে শুরু করে বাংলাদেশ। যার প্রভাব দেখা যায় কিক অফের পরপরই। লাওস জাতীয় স্টেডিয়ামে খেলার দ্বিতীয় মিনিটে দারুণ সুযোগ কড়াও নেড়েছিল বাংলাদেশের দুয়ারে। সতীর্থের লং পাস ধরে গোলরক্ষককে একা পেয়েও গিয়েছিলেন সাগরিকা, কিন্তু বলে প্রথম স্পর্শ জোরে হওয়ায় শট নিতে পারেননি। ওই সময়ই সাগরিকা চিপ করতে পারলে এগিয়ে যেতে পারত বাংলাদেশ। সাগরিকা না পারলেও ১৫ মিনিটে গোল এনে দেন আগের ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করা তৃষ্ণা রানী সরকার। বক্সে ঢুকে গায়ের সঙ্গে সেঁটে থাকা কোরিয়ার এক ডিফেন্ডারের বাধা পেরিয়ে আড়াআড়ি পাস বাড়ান শান্তি মার্দি, প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক গ্লাভসে লুফে নিতে না পারায় আলতো টোকায় বল জালে জড়ান তৃষ্ণা। চার মিনিটের মধ্যে খেলায় ফেরে কোরিয়া। সতীর্থের পাস ধরে ফাঁকায় থাকা লি হাইউন সমতা ফেরান।

‘হাই লাইন’ ডিফেন্সে কোরিয়াকে প্রথমার্ধে আটকে রাখতে পারলেও পরে আর সম্ভব হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে আফঈদা-নবীরন খাতুনরা রক্ষণ সামলাতে হিমশিম খেয়েছেন। কোরিয়া তাদের শক্তিমত্তা দেখিয়ে একে একে পাঁচবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠিয়েছে। তাতে বড় হার জুটলেও ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা পর মূল পর্বে যাওয়ার উচ্ছ্বাসেও ভেসেছেন সাগরিকারা। আগামী বছরের এপ্রিলে থাইল্যান্ডে হবে মূল পর্বের লড়াই। ১২ দলের আসরে সেমিফাইনাল খেলতে পারলে মিলে যাবে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের টিকিটও।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com