ড. কামাল হোসেনের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক সানজিদ রহমান শুভ।
লিখিত বক্তব্যে ড. কামাল বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান জাতির দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে শোষণমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিল দেশের মানুষ। ১৯৭২ সালের সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রের চার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়। রাষ্ট্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। সবাই মিলে একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি সুব্রত চৌধুরী। তিনি বলেন, অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সর্বশেষ জুলাই গণ অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশ একটি পর্যায়ে এসেছে। এখন জাতিকে আর বিভক্ত না করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সুব্রত চৌধুরী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর গণ অভ্যুত্থান ও জুলাই গণ অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করতে হবে। জুলাই গণ অভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন। সেই লক্ষ্য থেকে সরে না যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ প্রমুখ। আলোচনা সভার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাসান তারিক চৌধুরী।








