পরিপত্রে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদশ, ১৯৭২-এর ১৩ক অনুচ্ছেদ অনুসারে কোনো ব্যক্তি একই সময়ে তিনটির বেশি নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থী হতে পারবেন না।
পরিপত্রে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদশ, ১৯৭২-এর ১৩ক অনুচ্ছেদ অনুসারে কোনো ব্যক্তি একই সময়ে তিনটির বেশি নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থী হতে পারবেন না।
পরিপত্রে আরো বলা হয়, মনোনয়নপত্র অফিস চলাকালীন অর্থাৎ সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সরকারি ছুটির দিনসহ বিতরণ ও গ্রহণ করা হবে। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ের মধ্যে রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে প্রার্থী, প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারী কর্তৃক সরাসরি মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে।
অফিসার নিয়োগ : নির্বাচন পরিচালনার জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা মহানগরে নির্বাচনী এলাকার জন্য বিভাগীয় কমিশনার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, ঢাকা/চট্টগ্রাম/খুলনা এবং অন্যান্য নির্বাচনী এলাকার জন্য জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে বলে পরিপত্রে জানানো হয়।
পরিপত্রে বলা হয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিজ নিজ উপজেলার জন্য এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ), সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, ক্যান্টনমেন্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার, অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার কাজ করবেন। নির্বাচন অফিসার, সার্কেল অফিসার (উন্নয়ন) তেজগাঁও সার্কেল, সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের অধিক্ষেত্রও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের আইন ও বিধি মোতাবেক রিটার্নিং অফিসারকে সব ধরনের সহায়তা দেবেন এবং ইসির নির্দেশ সাপেক্ষে রিটার্নিং অফিসারের অধীনে থেকে প্রয়োজনবোধে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা : গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১২(১)-এর উপদফা অনুযায়ী আদালত কর্তৃক ফেরারি বা পলাতক আসামি ঘোষিত ব্যক্তি, প্রজাতন্ত্রের বা কোনো সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কর্মে কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি, কম্পানির পরিচালক বা ফার্মের অংশীদারি ব্যক্তি, কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে গৃহীত কোনো ঋণ বা কিস্তি মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনের আগে পরিশোধে ব্যর্থ হওয়া ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হতে অযোগ্য হবেন বলে জানিয়েছে ইসি।
পরিপত্রে বলা হয়, অনুচ্ছেদ ১২ অনুযায়ী কৃষিকাজের জন্য গৃহীত ক্ষুদ্র কৃষিঋণ ব্যতীত, মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনের আগে ব্যাংক থেকে গৃহীত কোনো ঋণ বা কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রার্থী হতে অযোগ্য হবেন। সেই সঙ্গে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনের আগে সরকারি টেলিফোন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি বা অন্য কোনো সেবা প্রদানকারী সংস্থার বিল পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রার্থী হতে অযোগ্য হবেন। এ ছাড়া লাভজনক পদ অর্থাৎ প্রজাতন্ত্র বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ বা সরকারের ৫০ শতাংশের বেশি শেয়ার রয়েছে এরূপ কোনো কম্পানির কোনো অফিসে সার্বক্ষণিক কোনো পদ বা পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত থাকা ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হতে অযোগ্য হবেন।
উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়রের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/আধাস্বায়ত্তশাসিত ও সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত অফিস/প্রতিষ্ঠানের বা করপোরেশন অথবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, কর্তৃপক্ষ এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনগুলোতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য পদ্ধতিগতভাবে পদত্যাগ করতে হবে।