এ সময় তিনি বলেন, ‘তফসিল হোপফুলি, আমরা যেটা আশা করছি ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে।
এ সময় তিনি বলেন, ‘তফসিল হোপফুলি, আমরা যেটা আশা করছি ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে।
মক ভোটিং সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও একই দিনে আয়োজন করতে হবে।
সিইসি বলেন, ‘৪২ হাজার ৫০০টির বেশি পোলিং সেন্টার (ভোটকেন্দ্র) যথেষ্ট কি না বা অতিরিক্ত বুথ (ভোটকক্ষ) ও সেন্টার প্রয়োজন হবে কি না তা আজকের (শনিবার) রিয়াল-টাইম মূল্যায়নের ভিত্তিতেই ঠিক করা হবে। অতিরিক্ত লোকবল, সরঞ্জাম ও ব্যবস্থাপনা—এসবই বাস্তব পর্যবেক্ষণ থেকে নির্ধারণ করা হবে।
তিনি বলেন, ‘শুধু ভোটের অনুশীলন নয়, পোলিং সেন্টারের সামগ্রিক পরিবেশ, ভোটারদের কিউ, পোলিং ও প্রিজাইডিং অফিসারদের অবস্থান, সাংবাদিকদের ভূমিকা—সবকিছু বাস্তবে কেমন হবে তা যাচাই করাই এ অনুশীলনের মূল লক্ষ্য।’
সিইসি বলেন, ‘মক ভোটিং অনুশীলনের মাধ্যমে ভোটাররা এসে লাইনে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে পোলিং সেন্টারে প্রবেশ করেছেন। তারপর ভোটার স্লিপ নিয়ে দেখাচ্ছেন, পোলিং অফিসার ডাক দিচ্ছেন, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রিজাইডিং অফিসার ব্যালট পেপার দিচ্ছেন, ভোটার মার্কিং সিল নিয়ে গোপন কক্ষে ভোট দিয়ে বাক্সে ফেলছেন—এই এক্সারসাইজটা অনেকেই জানে না। বিশেষ করে আমাদের যাঁরা নতুন ভোটার, প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন তাঁরা জীবনে এই ভোট দেখেন নাই। এটার মাধ্যমে একদিকে একটা অভিজ্ঞতা সঞ্চার হচ্ছে, আর অন্যদিকে আমাদের একটা রিয়াল টাইম অ্যাসেসমেন্ট অব দা সিচুয়েশন তৈরি হচ্ছে।
ভোটাররা দেড় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে। মক ভোটিংয়ে দেড় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানো থাকলে বাস্তবে কতক্ষণ থাকতে হবে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘এটিও মূল্যায়নের অংশ। কোথায় ঘাটতি আছে, কোথায় পরিকল্পনায় ভুল ছিল সেগুলো চিহ্নিত করে সংশোধন করা হবে। মানুষের কষ্ট বাড়ানো নয়, বরং সময় কমিয়ে সুবিধা নিশ্চিত করাই কমিশনের লক্ষ্য। খরচ কমানোই প্রধান উদ্দেশ্য নয়, প্রয়োজনে বুথ বাড়িয়ে সময় কমানো হবে।’
ভোটাররা অনেকেই বলছেন তাঁরা গণভোট সম্পর্কে জানেন না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখনো গণভোট নিয়ে প্রচার শুরু হয়নি। ইলেকশন কমিশন ও সরকার যৌথভাবে শিগগিরই ব্যাপক প্রচার চালাবে। গণভোট আইনি অনুমোদন পাওয়ার পরই কমিশন এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকেও দায়িত্বশীলভাবে তথ্য প্রচারে ভূমিকা রাখার আহবান জানচ্ছি।’
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘সামগ্রিক অবস্থা আগের তুলনায় অনেক উন্নত। বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সঙ্গে কমিশন ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে এবং তারা প্রস্তুত রয়েছে। বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে, তবে সামগ্রিক ভোটের পরিবেশ নিরাপদ রাখার বিষয়ে কমিশন আশাবাদী।’
ভোটকেন্দ্র কমানোর কথা বলছে ইসি। এই কেন্দ্র কমানোর মধ্য দিয়ে খরচ বাঁচানো হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘খরচ নয়, সময় ব্যবস্থাপনাই বড় বিষয়। প্রয়োজনে বুথ বাড়ানো হবে, ভোটারকে কষ্ট দেওয়া নয়, বরং সুষ্ঠু ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভোটই আমাদের লক্ষ্য।’
এ সময় নির্বাচন কমিশনাররা, ইসি সচিব, ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারসহ ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।