ক্রীড়া প্রতিবেদক : অভিজ্ঞ আর তারুণ্যের মিশেলে ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে গেছে বাংলাদেশ নারী দল। গত বিশ্বকাপে খেলা ৮ ক্রিকেটার যেমন এবারও সুযোগ পেয়েছেন, তেমনি ৭ জন প্রথমবার নিজেদের প্রমাণের অপেক্ষায়। দলের নির্বাচক থেকে শুরু করে টিম ম্যানেজমেন্ট, অধিনায়ক, সিনিয়র ক্রিকেটারদের পাশাপাশি আইসিসির বিশেষজ্ঞ প্যানেলও মনে করছে, নতুন ক্রিকেটাররা বাংলাদেশ দলের স্বপ্ন পূরণের কাণ্ডারি হতে পারেন।প্রথমবারের মতো লাল-সবুজের জার্সিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছেন রুবাইয়া হায়দার, স্বর্ণা আক্তার, রাবেয়া খান, মারুফা আক্তার, সানজিদা আক্তার, নিশিতা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার।
ওই সিরিজে দুই ম্যাচ খেলা এই অফস্পিনার দুই বছর পর দলে ফিরেছেন।গতকাল শুরু হওয়া ৮ দলের মেয়েদের বিশ্বকাপে যে আট ক্রিকেটারের ওপর এবার নজর রাখতে বলেছে আইসিসির বিশেষজ্ঞ প্যানেল, সেটায় বাংলাদেশ দলে তরুণ ক্রিকেটার নিশিতা আছেন। এই ক্রিকেটারকে প্রশংসা করে লিখেছে, গত জানুয়ারিতে আইসিসি মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে সেরা পারফর্মার ছিলেন নিশিতা। তাঁর দক্ষতার কারণে মাত্র ১৫ বছর বয়সে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
বিশ্বকাপ দিয়ে ওয়ানডে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা রুবাইয়াকেও বেশ প্রতিশ্রুতিশীল মনে করেন নিগার, ‘রুবাইয়ার এখনো ওয়ানডে অভিষেক হয়নি। সে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে মাঠে নামবে এবং বিকল্প উইকেটরক্ষক হিসেবে তার খুব ভালো সুযোগ আছে।’ প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া অন্য ৫ ক্রিকেটারকে নিয়েও কথা বলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘স্বর্ণা, সুমাইয়া ও রাবেয়া আছে, যাদের এই টুর্নামেন্টে ভালো করার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
গতকাল আইসিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি তরুণ খেলোয়াড়দের নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ওপেনার শারমিন আক্তার, ‘আমাদের প্রথম বিশ্বকাপে খেলা আটজন ক্রিকেটার এবারও আছে, তাদের অভিজ্ঞতা যেমন কাজে আসবে, তেমনি নতুন যারা সুযোগ পেয়েছে, তারাও ভালো করতে তৈরি আছে। তাই সিনিয়র-জুনিয়রদের মিশ্রণটা দারুণ হবে বলেই আমার মনে হচ্ছে। সিনিয়ররা তাদের অভিজ্ঞতার মূল্য দেবে আর জুনিয়ররা শক্তি ও উদ্যম জোগাবে। একসঙ্গে আমরা রোমাঞ্চকর কিছু করতে পারব।’