সিলেটের উইকেটে যে রানবন্যা হবে—এমন বার্তা ম্যাচের আগের দিনই পাওয়া গেছে। যদিও গতকাল সকাল থেকে টানা বৃষ্টি কিছুটা শঙ্কা তৈরি করেছিল। কিন্তু ম্যাচের আগে উইকেট দেখে আসা বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজমেন্টের এক সদস্যকে গতকাল টসের আগে বলতে শোনা গেল, ‘দারুণ উইকেট। আমার নিজেরই তো মনে হচ্ছে (ব্যাটিং করতে)। তাঁর কথা অনুযায়ী, গত কয়েক দিন টানা বৃষ্টির মধ্যেও ব্যাটিং-সহায়ক উইকেট তৈরিতে যে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেছেন মাঠ প্রস্তুতকারকরা, তাঁদের শ্রমের মূল্যটা ঠিকঠাক দিতে পারেননি নেদারল্যান্ডসের ব্যাটাররা। প্রতিপক্ষকে মাত্র ১৩৬ রানে থামানোর কৃতিত্ব অবশ্য বাংলাদেশের বোলারদের দিতেই হবে। উইকেটের মান বিচারে বাংলাদেশের লক্ষ্যটা নাগালেই মধ্যেই ছিল। পাওয়ার হিটিংয়ের প্রদর্শনীতে ৮ উইকেটের সহজ জয়ও তুলে নিয়েছেন লিটন দাসরা।সেটাও ৩৯ বল হাতে রেখে। এই জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা। ব্যাটারদের ঝড় ছাপিয়ে বাংলাদেশের বোলাররাই এই ম্যাচ জয়ের মূল দাবিদার। ব্যাটিং-সহায়ক উইকেটে নেদারল্যান্ডসকে দেড় শ-এর নিচে আটকে দেওয়ার জন্য হলেও।টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সফরকারীরাও ধ্বংসাত্মক শুরু করেন। প্রথম ওভারটা দেখেশুনে খেললেও বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামের করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভার থেকে ১৩ এবং অফ স্পিনার শেখ মেহেদী হাসানের করা তৃতীয় ওভার থেকে ৯ রান তোলেন দুই ওপেনার ম্যাক্স ও’ডাউদ এবং বিক্রমজিত সিং। এরপর ঘুরে দাঁড়ান বোলাররা। নিজের প্রথম দুই ওভারে দুই ওপেনার ও’ডাউড (২৩) এবং বিক্রমজিতকে (৪) ফেরান তাসকিন আহমেদ। বড় চমকটা তখনো অপেক্ষা করছিল।লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন নিজের প্রথম ওভারে ১১ রান দিলে প্রায় ৪ পর মূল জাতীয় দলে ফেরা সাইফ হাসানকে বোলিংয়ে আনেন লিটন। জোড়া শিকারে অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দেন খণ্ডকালীন হাত ঘোরানো এই অফ স্পিনার। এতে ১০ ওভারে ৪ উইকেট হারানো ডাচরা মাত্র ৬৮ রান করে। পরের ব্যাটারদেরও আর খোলস থেকে বের হতে দেননি বোলাররা। একাই ৪ শিকার ধরেন ডানহাতি পেসার তাসকিন। বোলারদের তৈরি করা সহজ পথে পরে পাওয়ার হিটিংয়ের প্রদর্শনী দেখিয়ে অনায়াস জয়ের দিকেই ছোটে বাংলাদেশ দল।








