সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৩ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

সাগরিকা মাতালেন

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

ক্রীড়া প্রতিবেদক : লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞায় আগের তিন ম্যাচ মাঠের বাইরে বসে কাটাতে হয়েছে তাঁকে। তুলনামূলক দুর্বল দুই দল ভুটান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলতে না পারায় খানিকটা আফসোস করতেই পারেন মোছাম্মত সাগরিকা। কারণ শুরুর দুই ম্যাচে ৪ গোল করা এই স্ট্রাইকার আসরের শেষ ম্যাচে খেলতে নেমে একাই করেছেন ৪ গোল। নিষেধাজ্ঞা না পেলে হয়তো গোলের সংখ্যা আরো বাড়িয়ে নিতে পারতেন—এমন ভাবনা এখন ভাবতেই পারেন তিনি। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় সাগরিকার হ্যাটট্রিকসহ চার গোলে গতকাল নেপালকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ সাফের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। গত আসরটি হয়েছিল অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে। সেটারও যৌথ চ্যাম্পিয়ন ছিল বাংলাদেশ।অভিজ্ঞ সিরাত জাহান স্বপ্না অবসরে যাওয়ার পর দুই বছর ধরে নারী ফুটবল দলে স্ট্রাইকার পজিশনটা নিয়েছেন তহুরা খাতুন।বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় সাগরিকার হ্যাটট্রিকসহ চার গোলে গতকাল নেপালকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ সাফের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। গত আসরটি হয়েছিল অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে। সেটারও যৌথ চ্যাম্পিয়ন ছিল বাংলাদেশ।

৫ গোল করে সর্বশেষ সাফ জয়ে দারুণ অবদান রেখেছিলেন তিনি। তহুরা কোচের প্রথম পছন্দের হওয়ায় দলে থেকেও সাম্প্রতিক সময়ে একাদশে সুযোগ মেলেনি সাগরিকার। জাতীয় দলে বেঞ্চে বসে কাটাতে হলেও চলমান অনূর্ধ্ব-২০ সাফে পাওয়া সুযোগটি দুই হাত ভরে কাজে লাগালেন তিনি। নিখুঁত ফিনিশিং তো আছেই, সঙ্গে গতি দিয়ে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের পরাস্ত করার সক্ষমতা আছে তাঁর। যার প্রমাণ তিনি রাখলেন এই আসরে স্রেফ তিন ম্যাচ খেলে ৮ গোল করে।গত বছর অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফে ৪ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার সঙ্গে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছিলেন সাগরিকা। এরপর তাঁকে সিনিয়র সাফের মূল স্কোয়াডে সুযোগ করে দেন পিটার বাটলার। সাফে সেভাবে খেলার সুযোগ না পেলেও বাটলারের পরিকল্পনায় ঠিকই ছিলেন তিনি। এ বছর এশিয়ান কাপের দলেও ছিলেন। তবে তহুরা থাকায় সেভাবে মেলেনি খেলার সুযোগ। সেই সুযোগ অনূর্ধ্ব-২০ সাফে পেয়ে দারুণ কাজে লাগালেন ১৯ বছরের এই স্ট্রাইকার। শুধু সাগরিকাই নয়, উমেহলা মারমা, স্বপ্না রানী, শান্তি মার্দি, মুনকি আক্তাররাও নিজেদের মেলে ধরেছেন।টুর্নামেন্টের তিনটি ম্যাচ খেলা হয়নি সাগরিকার। সবগুলোতে বাংলাদেশের আক্রমণভাগ বেশ ভুগেছে। সাগরিকার পরিবর্তে খেলা তৃষ্ণা রানী ৪ গোল করলেও সুযোগ নষ্ট করেছেন অনেক। কিন্তু মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সাগরিকা ফেরায় স্বস্তির কথাই জানিয়েছিলেন কোচ বাটলার। ফাইনালের আগে সাগরিকাকে নিয়ে বাটলার বলেছিলেন, ‘সাগরিকা থাকলে আমাদের গোলসংখ্যা আরো বাড়ত। সে আমার দলের আক্রমণের অন্যতম ভরসার একজন।’ অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের আক্রমণের কাণ্ডারিই হতে চলেছেন সাগরিকা, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com