গত বৃহস্পতিবার জেদ্দায় ২৩তম ওআইসি এক্সট্রা অর্ডিনারি কাউন্সিল অব ফরেন মিনিস্টার্সের (সিএফএম) বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব আহ্বান জানান। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিজেতে গাম্বিয়ার মামলার সমর্থনে প্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবী ট্রাস্ট ফান্ডে অবদান রাখার জন্য ওআইসির সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে ওআইসির নবনির্বাচিত মহাসচিব ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদকে স্বাগত জানান হুমায়ুন কবির। তাঁর মেয়াদে বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।মুসলিম উম্মাহর স্বার্থ ও কল্যাণে দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্ত সরকারি সংস্থা হিসেবে ওআইসির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। ফিলিস্তিন ইস্যুতেও বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন হুমায়ুন কবির। তিনি দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের ভিত্তিতে একটি ন্যায়সংগত ও টেকসই সমাধানের প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির কথা জানান। শান্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থানও তুলে ধরেন।
কাতারের কাছে এলএনজি সহায়তা : জেদ্দায় ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বৈঠকের সাইডলাইনে কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সুলতান বিন সাদ আল-মুরাইখির সঙ্গে বৈঠকে জ্বালানি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন হুমায়ুন কবির। তিনি হরমুজ প্রণালি ফের খুলে দেওয়া এবং সামুদ্রিক যোগাযোগ স্বাভাবিক হওয়ার পর বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য কাতারের প্রতি অনুরোধ জানান। বৈঠকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় কাতারের ভূমিকার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। আঞ্চলিক সংলাপ, শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কাতারের গঠনমূলক ভূমিকারও প্রশংসা করেন।
মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতার আলোচনা : সাইডলাইনে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদমের সঙ্গে বৈঠক করেন হুমায়ুন কবির।বৃহস্পতিবারের বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।