সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

নরসিংদীতে পরীক্ষায় কম নম্বর পাওয়ায় ছাত্রীকে বেত্রাঘাত করে হাসপাতালে পাঠানোর অভিযোগ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় গণিত পরীক্ষায় কম নম্বর পাওয়ায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উপর্যুপরি বেত্রাঘাত করে হাসপাতালে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ওই শিক্ষার্থীকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের ভাষ্য, আজ সকাল থেকে কথা বলার শক্তিও হারিয়ে ফেলেছে ওই শিক্ষার্থী।

আহত শিক্ষার্থীর নাম সাইমা আক্তার (১৫)। সে উপজেলার অলিপুরা ইউনিয়নের নবিয়াবাদ গ্রামের আজিজুল হকের মেয়ে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মো. ফাইজ উদ্দিন। উপজেলার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল হেরা একাডেমির গণিত বিষয়ের শিক্ষক তিনি। এ ঘটনায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আহত শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যরা জানান, গত মঙ্গলবার প্রথম পর্বের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, সাইমা গণিতে নম্বর কম পেয়েছে। পরদিন বিদ্যালয়ে গেলে গণিতের শিক্ষক ফাইজ উদ্দিন শাসন করতে গিয়ে সাইমার ঘাড়ে পরপর ১২টি বেত্রাঘাত করেন। বাড়িতে গিয়েই শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে সে।

পরিবারের সদস্যরা জানতে পেরে স্কুল কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানান। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর শরীরে জ্বর আসে ও মানসিকভাবেও ভেঙে পড়ে। পরে তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক ফাইজ উদ্দিন বলেন, ‘সে গণিত পরীক্ষায় নম্বর কম পেয়েছে, তাই শাসন করেছি। তবে তাকে বেত্রাঘাত করিনি। তার অসুস্থ হওয়ার সংবাদ শুনে বাসায় গিয়ে খোঁজ নিয়েছি। ঢাকায় যাচ্ছি তার চিকিৎসার খোঁজ নিতে। সাইমা আগে থেকেই শারীরিকভাবে কিছুটা দুর্বল ছিল।’

প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক পনির হোসেন বলেন, ক্লাসে কোনো শিক্ষার্থীর গায়ে হাত তোলা বা বেত্রাঘাত করার কোনো সুযোগ নেই। এ ঘটনায় ওই শিক্ষককে স্কুল থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, ওই শিক্ষককে স্কুল থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অসুস্থ শিক্ষার্থীর যাবতীয় চিকিৎসার ব্যয় স্কুল কর্তৃপক্ষ বহন করবে। ওই শিক্ষার্থীকে আইনি সব সুরক্ষা দিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বলেছেন।

রায়পুরা থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়, হাসপাতাল ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com