বাতাসে প্রচুর পরিমাণে আর্দ্রতা থাকে। অত্যধিক আর্দ্রতা মাথার ত্বকে ময়লা আটকে রাখে। ফলে চুলের ফলিকল দুর্বল হয়ে যায়। চুলের গোড়ায় জমা হওয়া ব্যাকটেরিয়া আর ছত্রাক খুশকির সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে।

চুল সুরক্ষায়
বৃষ্টির পানি প্রায়ই অ্যাসিডিক হয়, যাতে চুলের ক্ষতি করতে পারে।
ভেজা চুলের যত্ন
ভেজা চুল দ্রুত শুকিয়ে নিন : বৃষ্টির পানিতে বিভিন্ন জীবাণু ও দূষিত উপাদান থাকতে পারে। চুল ভিজে গেলে যত দ্রুত সম্ভব মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন এবং টাওয়েল দিয়ে আলতো করে মুছে শুকিয়ে নিন।
শ্যাম্পু করুন : বৃষ্টির মৌসুমে সপ্তাহে অন্তত দু-তিনবার মাইল্ড বা সালফেট ফ্রি শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে স্ক্যাল্প পরিষ্কার থাকবে এবং চুল পড়া কমবে।
কন্ডিশনার : ভেজা চুলে জট পড়ে ও রুক্ষ হয়ে যায়। প্রতিবার শ্যাম্পুর পর হালকা কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এতে চুল থাকবে নরম ও মসৃণ।
ভারী অয়েল : বৃষ্টির দিনে বেশি তেল চুলকে আরো চিটচিটে ও ধুলাবালিময় করে তোলে। তাই হালকা নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন। রাতে তেল দিয়ে সকালে ধুয়ে ফেলুন।
ভেজা চুলে চিরুনি নয় : ভেজা চুল অনেক বেশি দুর্বল হয়। চুল শুকানোর পর চওড়া দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন। এতে চুল ভাঙবে না।
হেয়ার সিরাম : চুলে যদি ফ্রিজি ভাব দেখা দেয়, তবে হেয়ার সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। এটি চুলের হাইড্রেশন বজায় রাখতে সাহায্য করে।
কুসুম গরম পানি : যদি টানা বৃষ্টি হতে থাকে, সেই সময়গুলোতে চুল ধোয়ার সময় কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন। এতে স্ক্যাল্প থাকবে পরিষ্কার আর চুল পড়া কমবে।
সুস্থ চুল পেতে
পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ডিটক্স ওয়াটার, ফলের জুস ও শরবত পান করতে পারেন। দুধ, ডিম ও আমিষ জাতীয় অন্যান্য খাবার রাখুন খাদ্যতালিকায়। মাছ-মাংস বা প্রাণিজ উৎস বর্জন করলেও অবশ্যই বিকল্প আমিষ গ্রহণ করুন। নিয়মিত পাতে মৌসুমি শাক-সবজি রাখুন। চুল আঁচড়াতে মোটা দাঁতের চিরুনি বেছে নিন। এতে মাথার ত্বকে রক্তসঞ্চালন ভালো হবে। চুল কম পড়বে। রাতে অবশ্যই চুল বেঁধে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। এতে চুল কম পড়বে।