বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রতিকার

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো ফুসফুসের ক্যান্সার। প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা হলে পাঁচ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকার হার প্রায় ৬৫ শতাংশ হতে পারে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত প্রায় ৭০ শতাংশ রোগী যখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন, ততক্ষণে রোগ ফুসফুস ছাড়িয়ে অন্যত্র ছড়িয়ে যায়। দেরিতে আসার প্রধান কারণ হচ্ছে উপসর্গ বুঝতে না পারা এবং অবহেলা।

প্রধান উপসর্গ
ফুসফুসের ক্যান্সারের প্রধান ও প্রাথমিক উপসর্গ হলো দীর্ঘমেয়াদি কাশি। কাশির সঙ্গে রক্তপাত ফুসফুসের ক্যান্সারের অন্যতম লক্ষণ। অন্য গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো–
বুকে ব্যথা;
শ্বাসকষ্ট;
ক্লান্তি ও অবসাদ;
ওজন হ্রাস এবং ক্ষুধামান্দ্য।

ঝুঁকির কারণ
ধূমপান: সিগারেট, সিগার, পাইপ, হুক্কাসহ সব ধরনের ধূমপানের সঙ্গে ফুসফুসের ক্যান্সারের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
পরোক্ষ ধূমপান: প্রত্যক্ষ ধূমপায়ীর আশপাশে থাকা মানুষেরও (পরোক্ষ ধূমপায়ী) ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
বায়ুদূষণ: বায়ুদূষণও ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ।
পারিবারিক ইতিহাস: পরিবারে ফুসফুসের ক্যান্সারের রোগী থাকলে অন্যদের ঝুঁকি বেশি থাকে।

চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
চিকিৎসা সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক হলো সময়। প্রাথমিক অবস্থায় রোগ ধরা পড়লে নিরাময় সম্ভব।
অপারেশন: প্রাথমিক অবস্থায় সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা।
বিকল্প চিকিৎসা: যাদের শারীরিক অবস্থা অপারেশনের জন্য প্রতিকূল, তাদের জন্য বিকল্প হচ্ছে কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি। রোগের পর্যায় অনুযায়ী শুধু অপারেশন, শুধু কেমো-রেডিওথেরাপি অথবা দুটির সমন্বয়ে চিকিৎসা করা হয়।
স্ক্রিনিং: প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার শনাক্ত করার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে স্ক্রিনিং (ছাঁকনি) পদ্ধতি অত্যন্ত জরুরি।

ফুসফুসের ক্যান্সার থেকে বাঁচার সর্বোত্তম পন্থা হলো–
১. ধূমপান পরিহার করা;
২. পরোক্ষ ধূমপান এড়িয়ে চলা;
৩. বায়ুদূষণ প্রতিহত করা।
লেখক: সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, থোরাসিক সার্জারি বিভাগ, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com