চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কের রাউজানে আইল্যান্ডের সঙ্গে সংঘর্ষে এক মোটরসাইকেল আরোহী ছাত্রদলকর্মী নিহত হয়েছেন। এ সময় অপর দুই আরোহী যুবদল ও ছাত্রদলকর্মী গুরুতর আহত হন।
জানা গেছে, নিহত ছাত্রদলকর্মী এস কে তারেক (২৪) পৌরসভার পশ্চিম গহিরা ১ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে। গুরুতর আহতরা হলেন ১ নম্বর ওয়ার্ডের সিকদারবাড়ির বাসিন্দা যুবদলকর্মী রনি ও নিহত কাজী আবদুল্লাহ আল হাসানের বাড়ির বাসিন্দা ছাত্রদলকর্মী মো. জনি।
আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গতকাল শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার পর তারেক মোটরসাইকেল চালিয়ে পশ্চিম দিক থেকে গহিরায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর পেছনে বসা ছিল জনি ও রনি নামের অপর দুই যুবদল ও ছাত্রদলকর্মী। দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালানোর কারণে ওভারটেক করার সময় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তারেক রাউজান পশ্চিম গহিরা মিয়ারঘাটা এলাকায় চার লেনের চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কের আইল্যান্ডের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা মোটরসাইকেল থেকে সড়কে ছিটকে পড়েন। তিনজনই মাথা ও শরীরে প্রচণ্ড আঘাতপ্রাপ্ত হন। ঘটনাস্থলেই মারা যান তারেক। গুরুতর আহত হন যুবদলকর্মী রনি ও ছাত্রদলকর্মী জনি।
এদিকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইজি বাইকের ওপর উল্টে যাওয়ায় যাত্রীবাহী বাসের সুপারভাইজার নিহত ও সাতজন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের বিনেরপোতা ব্রিজের দক্ষিণ পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের নাম শাওন ইসলাম (৩৩)।
তিনি খুলনা সদরের সোনাডাঙা এলাকার বাবুল হোসেনের ছেলে।
আহতরা হলেন দেবহাটা উপজেলার হাদিপুর এলাকার মৃত কামালউদ্দিনের ছেলে শেখ নজরুল ইসলাম (৭০), একই এলাকার ফাইম হোসেন (২০), সাতক্ষীরা সদরের বকচোরা এলাকার সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী ফারজানা আক্তার মিম (২১), বরিশাল জেলার সদরের কাউনিয়া এলাকার মাহাবুর রহমানের ছেলে নাইম (৩০)। অন্যদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।