এ সময় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, গণভোটের প্রস্তুতি নিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সরকারের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার আমরা একটি চিঠি পেয়েছি।
এ সময় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, গণভোটের প্রস্তুতি নিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সরকারের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার আমরা একটি চিঠি পেয়েছি।
সিইসি আইন পাস করা বক্তব্যের ব্যাখ্যা তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, ‘স্যার যেটা বলেছেন যে, এখনো আইনটি হয়নি। আইনটি হওয়ার পর আমরা বাকি কাজগুলো করতে পারব।’
গত বৃহস্পতিবার আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, আগামী তিন থেকে চার কার্যদিবসের মধ্যে গণভোট আইন (অধ্যাদেশ) পাস হবে।
এ প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার গতকাল বলেন, ‘আইন না হওয়া পর্যন্ত কমিশন এ বিষয়ে কাজ করতে পারবে না। আগামী সপ্তাহেই গণভোটে আইনটি পাস করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আইন পাস হলে সেই আইন অনুযায়ী কমিশন প্রস্তুতি ও সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু করবে।
এ ছাড়া সিইসি বলেন, ‘একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়াই কমিশনের প্রধান এজেন্ডা। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য কমিশনের পাশাপাশি গণমাধ্যমেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।’
তিনি আরো বলেন, ‘অতীতে মৃত ব্যক্তির নামেও অনেকে ভোট দিয়েছে।
নাসির উদ্দিন বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ব্যবহার করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো অপপ্রচার রোধ করা কঠিন হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি যদি সমঝোতা ও সহযোগিতামূলক হতো, তবে কমিশনের কাজ আরো সহজ হতো।’
পোস্টাল ভোটিং সুবিধা নিয়ে সিইসি বলেন, ‘যাচাই-বাছাই ছাড়া পাসপোর্ট ব্যবহার করে এই সুবিধা দেওয়া যাবে না। কারণ অন্য দেশের লোকদেরও বিদেশে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করার নজির রয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষে কমিশনের প্রস্তুতি সম্পন্ন এবং যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কমিশন দৃঢ়ভাবে প্রস্তুত।’
অনুষ্ঠানে আগামী নির্বাচন ঐতিহাসিক নির্বাচন হবে মন্তব্য করে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন হবে। এর মাধ্যমে গণতন্ত্রের পুনঃসূচনা হবে। এই ঐতিহাসিক নির্বাচনের সাক্ষী হতে রেকর্ড-সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক অংশ নেবেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘অংশীদারি সংস্থাগুলোর অনুরোধে স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের বয়স কমানো হয়েছে। তবে তাদের অভিজ্ঞতার ঘাটতি পূরণে আরো প্রশিক্ষণ দরকার।’
কর্মশালায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশের নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের বক্তব্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সব অংশীজনের আস্থা অর্জন ও অংশগ্রহণ প্রয়োজন।