সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশ, মানববন্ধন, গানের মিছিল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান, গোলটেবিল বৈঠক এবং বিশিষ্টজনদের বিবৃতি প্রকাশ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশ, মানববন্ধন, গানের মিছিল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান, গোলটেবিল বৈঠক এবং বিশিষ্টজনদের বিবৃতি প্রকাশ।
লিখিত বক্তব্যে অমিত রঞ্জন দে বলেন, ‘সংগীত ও শরীরচর্চা বিষয়ক শিক্ষক নিয়োগ বাতিল করা একটি সুদূরপ্রসারী চক্রান্তমূলক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অংশ। পাঠ্যক্রম থেকে চারুকলা, সংগীতকলা, নৃত্যকলা ও নাট্যকলাকে বাদ দেওয়ারও ষড়যন্ত্র চলছে। উদীচী মনে করে, এসব সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী এবং সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হতাশা ও নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
সরকারের এই ‘আত্মঘাতী ও অনধিকারচর্চাপ্রবণ সিদ্ধান্ত’ পরিবর্তন না করলে অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিল্পীকে নিয়ে বৃহত্তর ঐক্য গঠনের আহ্বান জানান অমিত রঞ্জন দে।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উদীচীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম।