এস এম শহীদুল আলম পায়রা-ফড়িং পায়রা উড়ুৎ ফড়িং ফুড়ুৎ লাটিম ঘুরুৎ বুকটা জুড়ুৎ; উড়ুৎ-ফুড়ুৎ-ঘুরুৎ-জুড়ুৎ! পাঁপড় কুড়ুৎ ‘শোলকা’ সুড়ুৎ পাতিল ধুরুৎ পাতাও ঝুরুৎ; কুড়ুৎ-সুড়ুৎ-ধুরুৎ-ঝুরুৎ! হা ফি য রে দ
বৈশাখের তপ্ত দুপুর। কাঠ ফাটা রোদ যেন! এই গরম উপেক্ষা করে দাদু নদীতে গোসল করার জন্য বাড়ি থেকে বের হলেন। ছোট্ট জুরাইন দাদুর সঙ্গী। তারা দুজন দিনমান একে অন্যের গায়ে
টিক্ টিক্ টিক্ টিয়ে রে কাল নাকি তোর বিয়ে রে তাইতো ঠোঁটে রং মেখেছিস আলতা-সিঁদুর দিয়ে রে। টিক্ টিক্ টিক্ টিয়ে রে রাঁধছে মায়ে-ঝিয়ে রে কাঁদছে তারা রাঁধতে বসে
এই দেখ, আমার প্লেন বিধ্বস্ত হচ্ছে!’ টেবিলের ওপর একটি কলমের গায়ে হাতের খেলনা প্লেনটিকে জোরে ধাক্কা মেরে বলল রাহাত, মুখে সেই বেগে ভোঁ ভোঁ আওয়াজ, ‘আমি কিন্তু ওর মধ্যে ছিলাম
কল্পনা করো, তুমি পৃথিবীর একটি ওজন মাপার মেশিনে দাঁড়ালে। সেটি দেখাল, তোমার ওজন ৩০ কেজি। কিন্তু একই মেশিন নিয়ে যদি তুমি মহাকাশযানে চড়ে অন্য কোনো গ্রহে যাও, তাহলে কি তোমার
র ও শ ন আ রা মু ক্তা এসো রুটি বানাই আর্দ্র যদি হেল্প করে রুটি বানাবো আমি রুটি খেয়ে আমরা যাবো হাঁটতে হাঁটতে দমদমি। আর্দ্র যদি রুটি বানায় বিড়াল