র ও শ ন আ রা মু ক্তা
এসো রুটি বানাই
আর্দ্র যদি হেল্প করে
রুটি বানাবো আমি
রুটি খেয়ে আমরা যাবো
হাঁটতে হাঁটতে দমদমি।
আর্দ্র যদি রুটি বানায়
বিড়াল খাবে রুটি;
ছোট রুটি খেয়ে বিড়াল
করবে ছুটোছুটি!
শা র মি ন না হা র ঝ র্ণা
যাদুর দেশে
ছোট্ট খুকি ঘুমের ঘোরে
রঙিন স্বপ্ন দেখে
যাদুর দেশে পরীর কাছে
মজার খেলা শেখে।
পরীর হাতে যাদুর লাঠি
ঝিকিমিকি জ্বলছে
যাদুর লাঠি ছুঁয়ে খুকি
পরীর মতো চলছে!
পরীর মতো দুটি ডানা
খুকি পেয়ে হাসে
যাদুর দেশে পরীর বেশে
নীল আকাশে ভাসে।
অ পু ব ড়ু য়া
ফুলকন্যা
বাস করে বস্তিতে
থাকে না তো স্বস্তিতে
জোটে না তো ঠিকমতো
এক বেলা ভাত
গরিবের মেয়ে ওরা
কচি কচি হাত।
কচি হাতে ঝরে পড়া
বকুল কুড়ায়
সেই ফুলে মালা গেঁথে
দিন চলে যায়।
সন্ধ্যায় মালা বেচে
কিছু যদি পায়
তাই দিয়ে এক বেলা
আহার জোগায়।
আ খ তা রু ল ই স লা ম
ছুটির দুপুর
ছুটির দুপুর নূপুর বাজায় হাসছে আকাশ রোদ্দুরে
শাপলা পুকুর নেচে ওঠে ইচ্ছেরা ভাই কই ঘুরে।
ইচ্ছেরা সব হাওয়ায় ঘুরে পাতার ফাঁকে বাঁশি
কে যে বাজায় স্বপ্ন সাজায় এক চিলতে হাসি।
হাসি তখন উপছে পরে হালকা মেঘের নায়ে
রঙধনুটা নেমে আসে দূর পাহাড়ের গায়ে।
পথের বাঁকে ফুলের বাগান মন মাতানো ঘ্রাণ
হলদে পাখির ডানায় ওড়ে ইচ্ছেঘুড়ির টান।
আনন্দেতে মাতে পাড়া মাতে উঠোন বাড়ি
বাড়ির কোণে হাওয়ায় ওড়ে মায়ের হলুদ শাড়ি।
এই যে দুপুর একলা আমার আনন্দে আটখানা
পৃথিবীটা আপন করে নেবই ষোলোআনা।