আকাশে মেঘ করে আসা এক দুপুরে জামরুল গাছের নিচে বিষণ্ন মনে ঠায় দাঁড়িয়ে ছিল ছোট্ট মেয়েটি। তার দৃষ্টির সীমানাজুড়ে শুধুই গারো পাহাড়ের ঘন-গাঢ় সবুজ, যা গিয়ে মিশেছে মেঘলা দিগন্তে। ছোট্ট
কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম। গত সোমবার অনুষ্ঠিত ফেডারেল উপনির্বাচনে স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়ে তিনি প্রথমবারের মতো কানাডার পার্লামেন্টের
নারীর প্রতি সহিংসতা শুধু একটি সামাজিক সমস্যা নয়, এটি মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন। আর এই সহিংসতা রোধে প্রয়োজন কার্যকর বিচারব্যবস্থা, আইন প্রয়োগে দৃঢ়তা এবং প্রান্তিক নারী ও মানুষের অভিজ্ঞতাকে নীতি প্রণয়নে
আমাদের সমাজে একজন পুরুষের কর্মজীবনে বিরতি নেওয়াকে অনেক সময়ই ‘সাবাটিকেল’ বা নিজেকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার সময় হিসেবে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হয়। কিন্তু একজন নারীর ক্ষেত্রে চিত্রটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। মাতৃত্ব,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার সাতজন নারী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জনই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত। আরও একজন হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৮৩ জন নারী প্রার্থীর
বাংলাদেশের রাজনৈতিক বা সামাজিক আন্দোলনে নারীর অংশগ্রহণকে কেবল চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের ফ্রেমে বন্দি করে দেখাটা ঐতিহাসিক ভুল। যদি আমরা পেছনের দিকে তাকাই, ২০১৮ সালের কোটাবিরোধী আন্দোলন কিংবা নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে ছাত্রছাত্রীদের
বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে নারীর অবস্থান, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ একটি অপরটির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। আমাদের রাজনৈতিক কাঠামোতে নারীকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে সদিচ্ছার অভাব দীর্ঘদিনের। যে নগণ্য সংখ্যক
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। যা সর্বজনস্বীকৃত। একটি দেশে নারী পুরুষের সমান অংশগ্রহণে এগিয়ে যায় দেশ। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ ও ২৮
আমি ধন্যবাদ জানাতে চাচ্ছি– নির্বিঘ্নে, সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হয়েছে। ফলাফলও ইতোমধ্যে চলে এসেছে। বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রায় ৬০ শতাংশ ভোটার ভোট
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বহুমাত্রিক শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে নারীর অংশগ্রহণ ও লিঙ্গভিত্তিক অন্তর্ভুক্তি ঘিরে আন্তর্জাতিক পরিসরে একটি সুদৃঢ় ও বিস্তৃত ঐকমত্য গড়ে উঠেছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা এখন আর অস্ত্র ও কূটনীতির