নারীর প্রতি সহিংসতা শুধু একটি সামাজিক সমস্যা নয়, এটি মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন। আর এই সহিংসতা রোধে প্রয়োজন কার্যকর বিচারব্যবস্থা, আইন প্রয়োগে দৃঢ়তা এবং প্রান্তিক নারী ও মানুষের অভিজ্ঞতাকে নীতি প্রণয়নে গুরুত্ব দেওয়া। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজ; এই পুরো কাঠামোর মধ্যেই একজন নির্যাতনকারী তৈরি হয়, তাই সমাধানও কাঠামোগত পরিবর্তনের মাধ্যমেই সম্ভব।
একশনএইড বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় ২৭ নভেম্বর আয়োজিত জাতীয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম (জেএনএনপিএফ)-এর বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তারা নারী নির্যাতন প্রতিরোধে এমনই গঠনমূলক সমাধানের দিকে ইঙ্গিত দেন।
জেএনএনপিএফ এ সভায় ২৫ জেলার ২৬টি সংস্থার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে তাদের ১৯ বছরের পথচলার অর্জন ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রণীত গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে। পাশাপাশি, নারীর প্রতি নির্যাতনের নিত্য নতুন মাত্রা বিবেচনা করে ২০২৬ সালের জন্য নতুন কিছু উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়।
২০০৬ সাল থেকে মাঠপর্যায়ে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে জেএনএনপিএফ। ন্যায়বিচার, সমতা ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে আমরা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় ভূমিকা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি জরুরী।