সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কৌশল স্বীকৃতি

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে
  • সাব্বির খান, স্ক্যান্ডিনেভিয়া প্রতিনিধি
  • পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স তথা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কেমন করে নিজের অঙ্গপ্রতঙ্গের ক্ষতি না করে জীবাণুকে আক্রমণ করে দেহকে সুরক্ষা দেয়, সেই কৌশল উদঘাটনের স্বীকৃতিতে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন গবেষক। তাঁরা হলেন—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরি ই. ব্রাংকো ও ফ্রেড রামসডেল এবং জাপানের শিমন সাকাগুচি।

    সুইডেনের স্টকহোমের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট গতকাল সোমবার চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শারীরতত্ত্বে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।

    রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কৌশল উদঘাটনের স্বীকৃতি ত্রয়ীর এই পুরস্কারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ওলে কাম্পে বলেন, ‘মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কিভাবে কাজ করে এবং কেন আমরা গুরুতর অটোইমিউন রোগে আক্রান্ত হই না, সে সম্পর্কে জ্ঞান লাভের জন্য এই তিন মহান বিজ্ঞানীর আবিষ্কারগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় এটি নিজের শরীরের অঙ্গগুলোকেই আক্রমণ করতে পারে।

    প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং অন্য জীবাণু থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা। এটি দেহের রোগজীবাণুকে শনাক্ত করে তারা শরীরের নিজস্ব কোষ থেকে আলাদা করে।

    রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে যে কোষটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো ‘টি সেল’।

    ফ্রেড রামসডেলের জন্ম ১৯৬০ সালে। তিনি ১৯৮৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন। বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে বায়োথেরাপিউটিক্স বিষয়ে বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত আছেন।

    শিমন সাকাগুচির জন্ম ১৯৫১ সালে। তিনি জাপানের কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৩ সালে পিএইচডি লাভ করেন। বর্তমানে তিনি জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিউনোলজি ফ্রন্টিয়ার রিসার্চ সেন্টারে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

    আগামী ১০ ডিসেম্বর বিজয়ীদের সম্মাননা হিসেবে একটি করে স্বর্ণপদক, নোবেল মানপত্র এবং তিন বিজ্ঞানীকে ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনার সমান তিন ভাগে ভাগ করে দেওয়া হবে। আজ মঙ্গলবার পদার্থবিদ্যায় নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com