সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

স্টোররুম ছাড়াই গোছানো ঘর

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

স্টোর রুম নেই, তবু বুদ্ধি খাটিয়ে নিজের ঘরটাকে রাখা যায় সাজানো-গোছানো। কীভাবে? পরামর্শ দিয়েছেন গুলশান নাসরীন চৌধুরী। লিখেছেন সারা মাহমুদ

শহুরে জীবনে ফ্ল্যাটবাড়িতে স্টোর রুম খুব জরুরি। কিন্তু অনেক ফ্ল্যাটে ছোট জায়গায় থাকে না স্টোর রুম। অথচ সংসারে প্রতিদিনের ব্যবহার্য জিনিস, মৌসুমী জামাকাপড়, বিভিন্ন টুলস বা স্মৃতিময় জিনিসপত্র সব কিছুর জন্যই দরকার জায়গা। এর সমাধান ঘরের মধ্যেই খুঁজে নিতে হয়।

অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিদায় করুন

ঘর গোছানোর প্রথম ধাপ অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কমানো।মাসের পর মাস যেসব জিনিস ব্যবহার হচ্ছে না এবং ভবিষ্যতেও যেগুলোর দরকার হবে না, সেগুলো দান বা রিসাইকেল করুন। খালি জায়গা তৈরি হলে গুছানোর কাজ শুরু করা সহজ।

ঘরের ভেতর স্টোরেজ স্পেস

বেডরুম : খাটের নিচে বক্সে রাখুন শীতের কাঁথা বা কম ব্যবহূত পোশাক। আলমারি বা দরজার ওপরে ছোট তাক বানিয়ে শীত বা গ্রীষ্মের পোশাক তুলে রাখুন।

রান্নাঘর : দেয়ালে পেগবোর্ড লাগিয়ে খুন্তি ও প্যান ঝুলিয়ে রাখুন। ক্যাবিনেটের ভেতরে বানান টোকিক ড্রয়ার। সিঙ্কে দরজার ভেতরে হুক বা র্যাক ব্যবহার করুন।

বাথরুম বা লন্ড্রি : জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখতে স্ট্যাকেবল প্লাস্টিক বক্স বেশ কাজের। ওয়াশিং মেশিনের ওপর পাতলা শেলফ বসান, সেখানেই রাখুন ব্রাশ হোল্ডার, ইনডোর প্ল্যান্ট, টয়লেটরিজ ও অন্যান্য সামগ্রী।

বারান্দা : ওয়েদারপ্রুফ স্টোরেজ বক্সে পুরনো খেলনা বা টুলস রাখুন। তবে ড্রেনেজ ও বাতাস চলাচলের ব্যাঘাত যেন না ঘটে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

একসঙ্গে দুই কাজ : বাজারে এমন কিছু মডেলের চেয়ার, টেবিল ও সোফা পাওয়া যায় যেগুলোর ভেতরে থাকে স্টোরেজ স্পেস। সোফা-কাম-বক্স বা সেন্টার টেবিলের ভেতরে শীতের কাঁথা, কম্বল বা বাড়তি বালিশ রাখা যায়। এতে জায়গা বাঁচে, ঘরও থাকে পরিপাটি।

দেয়াল, কোণ এবং ছাদ

ছোট ঘরে দেয়ালই হলো আসল ভরসা। দেয়ালে ঝোলান কর্নার বা ফ্লোটিং শেলফ। ওভার-দ্য-ডোর হ্যাঙ্গারে ব্যাগ, গামছা বা স্কার্ফ ঝুলিয়ে রাখুন। ছাদে ঝোলানো রডে মৌসুমী জামাকাপড় বা হালকা জিনিস রাখা যায়।

স্মার্ট অর্গানাইজার

শিশুর খেলনা বা হালকা জিনিসপত্র রাখার জন্য ঘরের কোণে ঝুলন্ত নেট ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো দেখতেও সুন্দর।

ডোর শেলফ বা পকেট অর্গানাইজার

রুমের দরজার ভেতরের অংশে ঝোলানো যায় এমন পকেট শেলফে কসমেটিকস, চার্জার, নোটবুক রাখা যায়।

সঠিকভাবে সংরক্ষণ

বাংলাদেশের আবহাওয়ায় আর্দ্রতার তারতম্য বেশ ওঠানামা করে। তাই এয়ারটাইট বক্সে সিলিকা জেল বা নিমপাতা দিয়ে জিনিসপত্র রাখা ভালো। ভারি জিনিস নিচে, হালকাগুলো উপরে রাখুন। ঝুঁকিপূর্ণ জিনিসপত্র রাখবেন শিশুর নাগালের বাইরে। আর অবশ্যই সব বক্সে লেবেল লাগিয়ে রাখুন, যাতে খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।

এসব মেনে ঘর গোছালে স্টোররুম না থাকলেও ঘরদোর থাকবে সাজানো-গোছানো। একটু ভেবে ব্যবহার করলে বিছানার নিচে, আলমারির ওপর, ফার্নিচারের ভেতর, এমনকি বারান্দাও হয়ে উঠতে পারে বাড়তি স্টোরেজ। ড্রেসিং টেবিলে ব্যবহার করুন স্মার্ট অর্গানাইজার।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com