সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

সোনামণি খেতে চায় না

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে
শিশুদের পাকস্থলী ছোট। এ জন্য খায়ও কম। এটিই যেন মানতে চান না মায়েরা। প্লেট ভর্তি খাবার গাপুসগুপুস করে খেলে তবেই মায়েদের মন ভরে।

বারডেম হাসপাতালের পুষ্টি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান আখতারুন নাহার আলো বলেন, ‘এক থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে খেতে না চাওয়ার প্রবণতা একটি সাধারণ বিষয়।এটি শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের অংশ। কারণ এই বয়সে তাদের খাদ্যাভ্যাস, ক্ষুধার চাহিদা এবং নতুন খাবার গ্রহণের ক্ষমতা দ্রুত বদলাতে থাকে। জোর করে খাওয়ানো ক্ষতিকর হতে পারে।’ এ জন্য শিশুদের খাবারের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে কিছু কার্যকর পদ্ধতি মেনে চলা উচিত।

 

খেতে না চাইলে অনেক অভিভাবক শিশুর হাতে স্মার্টফোন ধরিয়ে দেন। এটি মোটেও উচিত নয়। মডেল : সাইবা, ছবি : এটুজেড
খেতে না চাইলে অনেক অভিভাবক শিশুর হাতে স্মার্টফোন ধরিয়ে দেন। এটি মোটেও উচিত নয়। মডেল : সাইবা, ছবি : এটুজেড

খেতে না চাইলে

খাবার আকর্ষণীয় করুন।

নতুন ধরনের খাবার খেতে দিতে পারেন। শিশুর পছন্দ অনুযায়ী রঙিন ও আকর্ষণীয়ভাবে খাবার সাজিয়ে তাকে পরিবেশন করুন। সবজি দিয়ে স্যুপ বা রঙিন ফলের সালাদ বানাতে পারেন। খাবারের স্বাদে পরিবর্তন ঘটান। একাধিক পদ্ধতিতে [যেমন—সিদ্ধ, পুডিং বা নরম ভাত] খাবার রান্না করে দেখতে পারেন। 

নির্দিষ্ট সময়েই খেতে দিন

আদরের সোনামণির খাওয়ার সময় নির্ধারণ করুন। একটি রুটিন তৈরি করে নিতে পারেন। রুটিন ধরে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেতে দিন। খুব ঘন ঘন খাবার দিতে চাইবেন না। এতে ক্ষুধা নষ্ট হয়। খাবার খাওয়ার পরিবেশ আনন্দদায়ক করে তুলুন। টিভি, মোবাইল বা অন্য কোনো ডিস্ট্রাকশন ছাড়া শিশুকে খেতে দিন। এতে শিশু ধীরে ধীরে খাবার খেতে উত্সাহ বোধ করবে।

ক্ষুধা বাড়ানোর চেষ্টা করুন

খেলাধুলার পর বা শারীরিক পরিশ্রম শেষে শিশুকে খাওয়াতে চেষ্টা করুন। চিপস, চকোলেট বা জাংক ফুড খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেটি পরিহার করানোর চেষ্টা করুন।

গুণগত মানে নজর দিন

শিশুকে একবারে বেশি খাওয়াতে যাবেন না। ছোটদের পাকস্থলীও ছোট হয়। তাই বেশি খাবার ওরা খেতে পারে না। অল্পতেই পেট ভরে যায়। এ জন্য খাবারের পরিমাণে নয়, গুণগত মানে নজর দিন। অল্প করে পুষ্টিকর খাবার; যেমন—ডিম, দুধ, ফলমূল, শাক-সবজি খেতে দিন।

শিশুর নিজে খাওয়ার সুযোগ

নিজের হাতে খাবার ধরতে দিন। এতে সে খাওয়ার প্রতি আগ্রহ দেখাবে। গাজর, আপেল, কলা, শসা কেটে ফিঙ্গার ফুড বানিয়ে তার হাতে ধরিয়ে দিন। এতে সে নিজে নিজে খাওয়া শিখবে। খাওয়ার প্রতিও আগ্রহ বাড়বে।

 

জোর করে খাওয়াবেন না

ইচ্ছার বিরুদ্ধে খাওয়ালে খাবারের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়। জোর করে খাওয়ানোর ফলে শিশু খাবার দেখলেই ভয় পায়, বিরক্তও হয়। এতে দীর্ঘ মেয়াদে খাওয়ার প্রতি আগ্রহ হারাতে পারে। শিশুর মধ্যে মানসিক চাপ বা উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। শিশুর আত্মবিশ্বাস ও স্বাভাবিক বিকাশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। জোর করে খাওয়ালে শিশুর গ্যাগ রিফ্লেক্স সক্রিয় হতে পারে, যা বমি বা শ্বাসনালিতে খাবার আটকে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com